পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন বাংলাদেশের কয়েকজন ক্রিকেটার
পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ র্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন। ২৮ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার ওয়ানডে বোলারদের সেরা দশে প্রবেশ করেছেন এবং অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। আজ প্রকাশিত সর্বশেষ আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে এই পরিবর্তন দেখা গেছে।
মিরাজের র্যাঙ্কিং উন্নতি
১৫ মার্চ শেষ হওয়া ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। সিরিজে মিরাজ ইকোনমির দিক থেকে সেরা বোলার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, মোট ৩০ ওভারে ওভারপ্রতি মাত্র ৩.৩৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন। ধারাবাহিকভাবে ভালো বোলিংয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি র্যাঙ্কিংয়ে ৯ ধাপ এগিয়ে বর্তমানে সপ্তম স্থানে অবস্থান করছেন। ওয়ানডে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ দশে এই একমাত্র পরিবর্তন ঘটেছে, যেখানে প্রথম তিনটি স্থানে রশিদ খান, জফরা আর্চার ও কেশব মহারাজ রয়েছেন।
অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে মিরাজের অবস্থান
অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে মিরাজ দুই ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছেছেন। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ২৮০, যা তৃতীয় স্থানে থাকা সিকান্দার রাজার ২৭৬ পয়েন্টের চেয়ে বেশি। শীর্ষস্থানে আছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৩২৯ পয়েন্ট নিয়ে। উল্লেখ্য, তিন ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে মিরাজ শুধু দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিং করেছেন এবং ১ রানে আউট হয়েছিলেন।
অন্যান্য বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের অগ্রগতি
বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে মিরাজ ছাড়াও তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা এগিয়েছেন। তাসকিন ১২ ধাপ এগিয়ে ২৮ নম্বরে, মোস্তাফিজ ১৩ ধাপ এগিয়ে ৪৭ নম্বরে এবং নাহিদ ৬৫ ধাপ এগিয়ে ৯৮ নম্বরে অবস্থান করছেন। তবে রিশাদ হোসেন বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৭ ধাপ পিছিয়ে ৬৮ নম্বরে এবং অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে ১৩ ধাপ পিছিয়ে ৪৩ নম্বরে নেমে গেছেন।
ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিং উন্নতি
ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে তানজিদ হাসানের। একটি সেঞ্চুরিসহ তিন ম্যাচে ১৭৫ রান করা এই ওপেনার ৩১ ধাপ এগিয়ে ৫৫ নম্বরে উঠে এসেছেন। তাওহিদ হৃদয় ২ ধাপ এগিয়ে ৩২ নম্বরে পৌঁছেছেন, যা বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থান। ব্যাটিংয়ের শীর্ষ তিনে যথারীতি ড্যারিল মিচেল, বিরাট কোহলি ও ইব্রাহিম জাদরান রয়েছেন।
সামগ্রিকভাবে, পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয় বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের জন্য র্যাঙ্কিংয়ে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যা দলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।
