বাংলাদেশকে বিশ্বাস করা অপরাধ: পাক ব্যাটারের রানআউট নিয়ে ভারতীয় তারকার মন্তব্য
বাংলাদেশকে বিশ্বাস করা অপরাধ: ভারতীয় তারকার মন্তব্য

বাংলাদেশকে বিশ্বাস করা অপরাধ: পাক ব্যাটারের রানআউট নিয়ে ভারতীয় তারকার মন্তব্য

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে সালমান আলী আগারের বিতর্কিত রানআউটের ঘটনা ক্রিকেট বিশ্বে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ঘটনায় সাবেক ভারতীয় অলরাউন্ডার অজয় জাদেজা সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করে বলেছেন, 'বাংলাদেশকে বিশ্বাস করা একটি অপরাধ'

জাদেজার বিতর্কিত মন্তব্য

অজয় জাদেজা এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, 'অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের টাইমড-আউট থেকে সালমান আলী আগার-এর বিতর্কিত রানআউট... মনে হচ্ছে বাংলাদেশকে বিশ্বাস করা একটি অপরাধ। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার সময় সব দলকে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে।' তার এই মন্তব্যে ২০২৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের টাইমড-আউটের ঘটনার সঙ্গে সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায়।

রানআউটের ঘটনা কীভাবে ঘটেছিল?

ঘটনাটি ঘটেছিল ম্যাচের ৩৯তম ওভারে। মোহাম্মদ রিজওয়ানের একটি সরাসরি শটে বল পিচের কাছে থামিয়ে দেন বাংলাদেশের মিরাজ। সালমান আলী আগার বলটিকে ডেড বলে মনে করে ক্রিজের বাইরে বেরিয়ে বল তুলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু মিরাজ দ্রুত বলটি তুলে নিয়ে স্টাম্পে আঘাত করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • সালমান ক্রিজের বাইরে থাকায় তৃতীয় আম্পায়ার তাকে আউট ঘোষণা করেন।
  • এই আউটটি আইনসম্মত হলেও ক্রিকেটের স্পিরিট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
  • সমর্থক ও বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

২০২৩ বিশ্বকাপের টাইমড-আউটের স্মৃতি

জাদেজার মন্তব্যে ২০২৩ বিশ্বকাপের টাইমড-আউটের প্রসঙ্গও এসেছে। সেই ম্যাচে শ্রীলঙ্কার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস হেলমেটের সমস্যার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্ট্রাইকে আসতে পারেননি। বাংলাদেশ দল টাইমড আউটের আবেদন করলে আম্পায়ার তা মেনে নেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. তৎকালীন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান আবেদন তুলে নেননি।
  2. ম্যাথিউস আউট হন, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম টাইমড-আউটের ঘটনা।
  3. এই ঘটনাও ক্রিকেটের স্পিরিট নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

বর্তমান রানআউটের ঘটনাটিও একই রকম বিতর্কের সৃষ্টি করেছে, যেখানে আইনগত দিকটি স্পষ্ট হলেও ক্রিকেটের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। জাদেজার মন্তব্যে এই দুটি ঘটনার মধ্যে একটি সমান্তরাল সম্পর্ক দেখানো হয়েছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে গভীর আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।