বাংলাদেশ এ নারী দলের রোমাঞ্চকর জয়: সঞ্জিদার বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৪ রানে হারালো
বাংলাদেশ এ নারী দলের রোমাঞ্চকর জয়: শ্রীলঙ্কাকে ৪ রানে হারালো

বাংলাদেশ এ নারী দলের রোমাঞ্চকর জয়: সঞ্জিদার বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৪ রানে হারালো

থাইল্যান্ডের ব্যাংককের টেরডথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে আজ এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ এ নারী ক্রিকেট দল শ্রীলঙ্কা এ নারী দলকে মাত্র ৪ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে। লেফট-আর্ম স্পিনার সঞ্জিদা আক্তার মেঘলার অসাধারণ বোলিং পারফরম্যান্স ছিল এই জয়ের মূল চাবিকাঠি।

বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয় ও সংগ্রাম

টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া বাংলাদেশ দল মাত্র ১৯.৫ ওভারে ১১৫ রানে অল আউট হয়ে যায়। দলটি শুরুটা করেছিল বেশ দৃঢ়ভাবে, কিন্তু মাঝপথে শুরু হওয়া ধসে শেষের ছয় উইকেট মাত্র ৩৪ রানে হারিয়ে তারা বিপাকে পড়ে।

  • ওপেনার ইসমা তানজিম ও শামিমা সুলতানা দলকে দারুণ সূচনা দিয়েছিলেন, প্রথম ছয় ওভারে ৪৮ রানের পার্টনারশিপ গড়ে।
  • শামিমা সুলতানা ১৭ রান করে প্রথম আউট হন, এরপর ইসমা তানজিমও দ্রুত উইকেট হারান।
  • ইসমা তানজিম দলের সর্বোচ্চ ৩০ রান সংগ্রহ করেন, সারমিন সুলতানা ২৯ ও রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক ১১ রান করে বাংলাদেশকে কিছুটা পুনরুদ্ধারে সাহায্য করেন।

শ্রীলঙ্কার বোলিং আক্রমণে সচিনি নিসানসালা ৪ উইকেট নিয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করেন, সাথ্যা সন্দীপানি ও মালশা শেহানিও দুইটি করে উইকেট দখল করেন।

সঞ্জিদার বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কার পিছুটান

মাত্র ১১৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা দল ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১১১ রান করে, ফলে বাংলাদেশ ৪ রানের জয় তুলে নেয়। সঞ্জিদা আক্তার মেঘলা ৩ উইকেট শিকার করে ম্যাচের গতিপথ সম্পূর্ণ বদলে দেন।

  1. ফাহিমা খাতুন প্রথম উইকেট শিকার করার পর, সঞ্জিদা ওপেনার সঞ্জনা কাভিন্দিকে ১৭ রানে আউট করেন।
  2. সঞ্জিদা পরে ফিরে এসে আমা কাঞ্চনাকে ২৩ রানে ও মালশা শেহানিকে আউট করে শ্রীলঙ্কার অগ্রগতি রোধ করেন।
  3. হানসিমা কারুনারত্নে শ্রীলঙ্কার পক্ষে সর্বোচ্চ ২৬ রান সংগ্রহ করেন।

ফাহিমা খাতুন ও লতা মন্ডল দুইটি করে উইকেট নিয়ে সঞ্জিদার বোলিংকে কার্যকরভাবে সমর্থন করেন। বাংলাদেশ দল শেষ মুহূর্তে জয় ছিনিয়ে নেয়, যা এক কথায় পরাজয়ের মুখ থেকে বিজয় অর্জনের মতো ঘটনা।

আগামী ম্যাচ ও প্রত্যাশা

গ্রুপ বি-এর এই জয়ের পর বাংলাদেশ এ নারী দল তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে সোমবার স্বাগতিক থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। আজকের এই সংকটময় জয় দলের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে, এবং ভবিষ্যত ম্যাচগুলোর জন্য এটি একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে।