নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বড় জয়, ভারতকে হারালো ৭ উইকেটে
নারী এশিয়া কাপে আমিরাতের বড় জয়, ভারতকে হারালো ৭ উইকেটে

নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের চমকপ্রদ জয়

নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের গ্রুপ পর্বে একটি চমকপ্রদ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারতের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে। শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে আমিরাতের মেয়েরা ভারতকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়লাভ করে।

ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয়

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে ভারত। কিন্তু আমিরাতের বোলারদের তোপে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে ভারতীয় ব্যাটাররা। দলীয় ২৭ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে তারা চাপে পড়ে যায়। মিডল অর্ডার থেকে আনুস্কা শর্মা একাই লড়াই করে যান, আর শেষদিকে তানুজা কানওয়ার কিছু রান যোগ করেন।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারত ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩০ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। আনুস্কা শর্মা দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন, আর তানুজা কানওয়ার করেন ৩৪ রান। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষে সামাইরা সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন, যা ভারতীয় ইনিংসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আমিরাতের জয়সূচক রান তোলা

১৩১ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৪০ রান তোলে আমিরাত। ওপেনার থেরথা সাতিস ১০ রান করে ফেরেন, কিন্তু পরের উইকেটে নামা সামাইরাকে নিয়ে ওপেনার ও দলনেতা এসা ওঝা ৭১ রানের জুটি গড়েন। এই জুটি দলের জয়ের ভিত শক্ত করে দেয়।

পরে উইকেট হারালেও এসা ওঝা জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। তিনি ফিফটি পূরণ করে অপরাজিত থাকেন ৭২ রানে। হেনা হটচান্দানি ১ বলে ৪ রান করে অপরাজিত থেকে জয় নিশ্চিত করেন। ভারতের পক্ষে রাধা যাদব, প্রেমা রাওয়াত ও তানুজা কানওয়ার একটি করে উইকেট পান, কিন্তু তা আমিরাতের জয় রুখতে যথেষ্ট হয়নি।

ম্যাচের গুরুত্ব ও প্রভাব

এই জয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য নারী ক্রিকেটে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। গ্রুপ পর্বে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে তারা টুর্নামেন্টে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। আমিরাতের বোলিং ও ব্যাটিং উভয় বিভাগেই সমন্বিত পারফরম্যান্স দেখা গেছে, যা ভবিষ্যত ম্যাচের জন্য ইতিবাচক সংকেত দিচ্ছে।

অন্যদিকে, ভারতের জন্য এই হার একটি বড় ধাক্কা, এবং তাদেরকে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে। নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে এই ম্যাচটি দর্শকদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ ছিল, এবং এটি নারী ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশকে তুলে ধরেছে।