ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল আর্সেনাল। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে কর্নার পায় ওয়েস্ট হ্যাম। অলি স্কার্লসের কর্নারে বল উড়ে যায় আর্সেনালের বক্সের মধ্যে। জটলার মধ্যে থেকে ক্যালাম উইলসনের শটে বল গোললাইন পেরিয়ে যায়। রেফারি ক্রিস কাভানাঘ গোলের বাঁশি বাজালেও ভিএআর অফিসিয়াল ড্যারেন ইংল্যান্ড তাকে মনিটর দেখতে বলেন। দীর্ঘ পর্যালোচনার পর দেখা যায়, গোলটি হওয়ার আগে পাবলো ফাউল করেন আর্সেনাল গোলকিপার ডেভিড রায়াকে। ফলে গোলটি বাতিল হয়। এতে উল্লাসে ফেটে পড়ে আর্সেনালের ফুটবলাররা। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে গানাররা।
শিরোপার পথে আরও এক ধাপ
এই জয়ে শিরোপার আরও কাছে পৌঁছে গেছে আর্সেনাল। ভিএআরের এই সিদ্ধান্তকে ‘সাহসী’ আখ্যা দিয়েছেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। ম্যাচ শেষে রেফারির প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘রেফারির এই সিদ্ধান্ত আমি মনে করি খুব সাহসী। কিন্তু পুরো মৌসুম জুড়ে যা বলে আসছে তারা, তার সঙ্গে খুবই সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই যখন আমার সমালোচনা করার প্রয়োজন পড়েছে, তখন আমি করেছি। রেফারিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমাকে অবশ্যই তাদের প্রশংসা করতে হবে।’
ভিএআরের ভূমিকা
আর্তেতা আরও বলেন, ‘আলোর ঝলকানি আর বিশৃঙ্খলা থেকে দূরে (ভিএআর রুমের শান্ত পরিবেশে), এটি তাকে (রেফারিকে) সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য স্বচ্ছতা প্রদান করে। আর আপনি যখন ঘটনাটিকে সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখবেন, আমি মনে করি এটি একটি স্পষ্ট ভুল ছিল।’ তিনি বলেন, ‘গোলটা বাতিল করতেই হতো। তাই অভিনন্দন, কারণ তারা খুবই কঠিন পরিস্থিতিতে বড় একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্ভবত আজ আমি উপলব্ধি করলাম রেফারির কাজ কত কঠিন ও কত বড়। কারণ আমরা এমন এক মুহূর্ত নিয়ে কথা বলছি, যেটা দুটি বড় ক্লাবের ইতিহাস, গতিবিধি নির্ধারণ করে দিতে পারে, যারা জানপ্রাণ দিয়ে তাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য লড়ছে। আর চাপটা বিশাল।’



