মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন হচ্ছেন বিসিবির হাইপারপারফরম্যান্স বিভাগের প্রধান কোচ
মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন হচ্ছেন বিসিবির এইচপি বিভাগের প্রধান কোচ

বিসিবির হাইপারপারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগের প্রধান কোচ হচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন। ৮ মে শুরু দুই টেস্টের পাকিস্তান সিরিজই জাতীয় দলের সঙ্গে আপাতত তাঁর শেষ অ্যাসাইনমেন্ট। গুঞ্জন সত্যি করে জাতীয় দলের প্রধান সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন এরপরই যোগ দেবেন বিসিবির হাইপারপারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগের প্রধান কোচ হিসেবে।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণ

প্রস্তাবটা যেমন বিসিবির দিক থেকে ছিল, একইভাবে সালাহউদ্দীনও মনে করছেন, জাতীয় দলকে আপাতত তাঁর তেমন কিছু দেওয়ার নেই। এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণদের নিয়ে এইচপিতে ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই নিজের জন্য ভালো হবে। নতুন দায়িত্ব নিয়ে কাল বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে ছোটখাটো একটা মিটিংও হয়েছে সালাহউদ্দীনের।

তরুণদের নিয়ে কাজের আগ্রহ

তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে আমি এ ধরনের কাজ আগেও করেছি। তাই আমার মনে হয়েছে, ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই আমি ভালো করতে পারব। বিসিবিও সেভাবেই চিন্তা করেছে। মোহাম্মদ সালাউদ্দীন, সিনিয়র সহকারী কোচ, বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচের দায়িত্ব পান সালাহউদ্দীন। বিসিবির সঙ্গে তাঁর বর্তমান চুক্তির কার্যকাল ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। পাকিস্তান সিরিজের পর এইচপির প্রধান কোচের পদে যোগ দিলেও সালাহউদ্দীনের চুক্তির মেয়াদ আপাতত ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্তই থাকবে। এইচপির বর্তমান প্রধান কোচ ডেভিড হেম্পকে দেওয়া হবে অন্য দায়িত্ব।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জাতীয় দলের ঘাটতি বুঝে কাজ

গত দেড় বছর জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করায় জাতীয় দলের কোথায় ঘাটতি, সেখানে কী ধরনের ক্রিকেটার প্রয়োজন; সে ব্যাপারেও তাঁর ভালো ধারণা জন্মেছে। এইচপির দায়িত্ব নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই সেই কাজটা করতে চান, 'জাতীয় দলের প্রয়োজনটা আমি এখন আরও ভালো করে বুঝি। যেমন সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের একজন ভালো অলরাউন্ডার দরকার, যে বোলিংয়ের পাশাপাশি ৭–৮ নম্বরে নেমে নির্ভরতা দিতে পারবে। এই ঘাটতিটা আমাদের থেকেই যাচ্ছে। এইচপিতে শুরু থেকেই আমার এ ধরনের ক্রিকেটারদের দিকে দৃষ্টি থাকবে।'

কাঠামো পরিবর্তন

অনূর্ধ্ব–১৯, এইচপি, বাংলাদেশ টাইগার্স, জাতীয় দল—কয়েক বছর ধরে এই কাঠামোতেই চলছে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিসিবির কার্যক্রম। এবার সেখানেও আসবে পরিবর্তন। কাঠামোতে বাংলাদেশ টাইগার্স আর থাকছে না, যোগ হবে অনূর্ধ্ব–২৩ দল। যেটি কাজ করবে অনূর্ধ্ব–১৯ আর জাতীয় দলের মধ্যে সিঁড়ি হিসেবে। আর এইচপিতে নিচের দিক থেকে যেমন ক্রিকেটাররা উঠে আসবেন, প্রয়োজনে জাতীয় দল থেকেও ক্রিকেটার এখানে আসবেন বিশেষায়িত অনুশীলনের জন্য।

সারা বছর কার্যক্রম

নিজের চিন্তাভাবনাও এরই মধ্যে গুছিয়ে নিয়েছেন সালাহউদ্দীন, 'তিন–চার মাসের ক্যাম্প করে লাভ নেই। এইচপির কার্যক্রম সারা বছর ধরে চলবে। ক্রিকেটাররা যেন এখান থেকে বিশেষ কিছু শিখে ওপরে উঠতে পারে, সেটাই থাকবে এইচপির মূল উদ্দেশ্য।'