পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনালে নাহিদ রানাকে খেলিয়ে উপকৃত হয়েছে পেশোয়ার জালমি। বাংলাদেশি স্পিড স্টার দুর্দান্ত বোলিং উপহার দিয়েছেন। তার ২ উইকেট শিকারের দিনে শিরোপা নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জালমি। লাহোরে হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে তারা।
টস ও ব্যাটিং
টসে হেরে আগে ব্যাট করেছে হায়দরাবাদ। এদিন নাহিদের কারণে বিস্ফোরক ব্যাটিং আর করা হয়নি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। নাহিদের প্রথম শিকার হন অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে ব্যাটার। ডানহাতি এই ব্যাটার দ্রুতগতির শর্ট ডেলিভারিতে বল লাগাতে ব্যর্থ হয়ে গোল্ডেন ডাকে বিদায় নেন।
নাহিদের বোলিং নৈপুণ্য
এরপর ২৩ বছর বয়সী এই পেসারের গতির সামনে অসহায় ছিলেন টেইলএন্ডার হুনাইন শাহ। নিজের তৃতীয় ওভারে তাকে বোল্ড করে ফেরান নাহিদ। তখন হায়দরাবাদের ইনিংসের ১৪তম ওভার চলছিল। ওই ওভারটি মেডেনও দেন নাহিদ। চার ওভারের কোটা পূরণ করে নাহিদ রানা ২২ রান দিয়ে উইকেট নেন ২টি। আরও একটি উইকেট পেতে পারতেন। সাইম আইয়ুবকে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলেছিলেন। তখন আম্পায়ার আউট দিলেও রিভিউ নেন পাকিস্তানি ব্যাটার। রিপ্লেতে দেখা যায় বলটি লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করেছিল।
হার্ডির অলরাউন্ড পারফরম্যান্স
জালমির হয়ে সেরা বোলার ছিলেন অ্যারন হার্ডি। ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। তাতে ১৮ ওভারে ১২৯ রানে শেষ হয় হায়দরাবাদের ইনিংস। ব্যাট হাতে দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেছেন কেবল সাইম আইয়ুব। ৫০ বলে ৫৪ রান করেছেন তিনি।
জবাবে অ্যারন হার্ডির অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ১৫.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করেছে পেশোয়ার জালমি। হার্ডি ৩৯ বলে ৫৬ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংসে অপরাজিত থেকেছেন। তাতে ছিল ৯টি চার। এছাড়া ৩৪ বলে ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৮ রানের ইনিংস খেলেছেন আব্দুল সামাদ।



