মৌলভীবাজারের হাটে নজর কাড়ছে ‘কালো মানিক’, ‘রাজা মিয়া’
হাটে নজর কাড়ছে ‘কালো মানিক’, ‘রাজা মিয়া’

হাটে নজর কাড়ছে ‘কালো মানিক’। আজ মঙ্গলবার দুপুরে মৌলভীবাজার শহরের কাশীনাথ আলাউদ্দিন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে। সকাল থেকে মেঘলা আকাশের নিচে থেমে থেমে বৃষ্টি ঝরছে। এই হাটকে রঙিন করে তুলেছে ‘কালো মানিক’, ‘রাজা মিয়া’, ‘আইপিএল-বিপিএল’ নামের নানা আকার ও রঙের ষাঁড়।

হাটের পরিবেশ

মৌলভীবাজারে প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল রাত থেকে থেমে থেমে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হয়েছে। আজ সকালে বৃষ্টি হালকা হলেও একেবারে থেমে নেই। মাঠে কাদা জমেছে, আয়োজকরা বালি ফেলছেন। তারপরও ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় বাড়ছে। দক্ষিণ পাশে ছাগল নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা, পাশাপাশি ঘাস ও কাঁঠালপাতা বিক্রি হচ্ছে।

নামীদামি ষাঁড়

কালো রঙের তিনটি ষাঁড় হাটের এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল। এগুলো সদর উপজেলার উত্তরমুলাইম থেকে আনা হয়েছে। মালিক আবদুল গফফার শখ থেকে ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়গুলো লালন-পালন করেছেন। তাঁর খামারে গাভিসহ প্রায় ৫০টি গরু আছে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তত্ত্বাবধানকারী সাজু মিয়া জানান, ষাঁড়গুলোকে ভুট্টার গুঁড়া, ভুসি ও খড় খাওয়ানো হয়েছে। সবচেয়ে বড় ষাঁড়টির নাম ‘কালো মানিক’, বয়স সাড়ে তিন বছর, ওজন প্রায় ৩০ মণ, দাম চাওয়া হচ্ছে ৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। অন্য দুটির নাম ‘বিপিএল’ ও ‘আইপিএল’, ওজন ২৫ মণের বেশি, দাম যথাক্রমে ৫ লাখ ৮০ হাজার ও ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

পাশেই লালচে ‘রাজা মিয়া’ শাহিওয়াল জাতের ষাঁড়, হবিগঞ্জের বাহুবল থেকে আনা। ওজন ২৬ মণ, বয়স তিন বছর। উত্তর পাশে আরও দুটি বড় ষাঁড় দেখা গেছে। লাল ও কালো রঙের এগুলো সদর উপজেলার গন্ডেহরি থেকে আনা। লালটির ওজন ১২ মণ, দাম চার লাখ টাকা; কালোটির ওজন ১০ মণ, দাম সাড়ে তিন লাখ টাকা।

খালিশপুর থেকে আনা আরেকটি ষাঁড়ের ওজন প্রায় এক টন, দাম আট লাখ টাকা। এ ছাড়া বিভিন্ন রং ও আকারের গরু উঠছে হাটে। ঈদের রাত পর্যন্ত হাট চলবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বৃষ্টি ক্রেতা-বিক্রেতার দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। থেমে থেমে হালকা বৃষ্টি ও দমকা বাতাস স্বাভাবিক চলাফেরায় বাধা দিচ্ছে। তবে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় মানুষের ভিড় কমছে না।