সিলেট টেস্টে বেশ বিপাকেই পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে স্বাগতিকদের পায়ের তলায় মাটি ফিরিয়ে আনেন লিটন দাস। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে ধবলধোলাই করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন লিটন।
প্রথম ইনিংসে বিপর্যয়
প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাটিং নেমে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেন লিটন। ৭৬.২৯ স্ট্রাইক রেটে ১২৬ রান করেন তিনি। ১৫৯ বলের ইনিংসে ১৬ চার ও ২ ছক্কা মেরেছেন তিনি।
অধিনায়কের নির্দেশ
বুধবার (২০ মে) সিলেট টেস্টের পঞ্চম দিনে জয়ের লিটন জানালেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কথায় পাকিস্তানের ওপর চড়াও হয়েছিলেন তিনি। ১২৬ ও ৬৯ রান করে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পাওয়া লিটন বলেন, ‘সত্যি বলতে, আগের দুই ইনিংসে (মিরপুরে প্রথম টেস্টে ৩৩ ও ১১ রান) রান পাইনি। তাই উইকেটে যাওয়ার সময় আমার ওপর বড় ইনিংস খেলতেই হবে, এমন কোনো চাপ ছিল না। কিন্তু হঠাৎ কয়েকটা উইকেট পড়ে গেল তখন একটু দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিলাম যে কী করা উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি অধিনায়ককে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী করা উচিত?’ শান্ত বলল, ‘আক্রমণাত্মক খেল। আমাদের রান প্রয়োজন।’ তখন আমি নেমে আমার শক্তির জায়গাগুলোতেই ভরসা করার চেষ্টা করেছি।’’
টেস্টে আক্রমণাত্মক মেজাজ
এমন টেস্ট ও ওয়ানডে মেজাজে খেলার কারণ প্রসঙ্গে লিটন বলেন, ‘দুটি বাউন্ডারি মারার পর মনে হলো, এটা টেস্ট ক্রিকেট। আমাকে আরও কয়েক ওভার টিকে থাকতে হবে। কারণ, যেকোনো দিনই বৃষ্টি হতে পারে। তাই মনে করলাম, যদি আরও ১০ থেকে ১৫ ওভার ব্যাটিং করতে পারি, তাহলে পাঁচ দিনের ম্যাচে ব্যাপারটা পুরো ভিন্ন রূপ নিতে পারে।’
টেলেন্ডারদের সঙ্গে ব্যাটিং
টেলেন্ডারদের সঙ্গে ব্যাটিং নিয়ে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার বলেন, ‘আপনি এভাবে ভাবতেই পারেন (সিঙ্গেল না নেওয়া)। কিন্তু একই সঙ্গে যদি আমি তাদের সুযোগ দিতাম, তাহলে হয়তো আমার স্কোর ৫০ হতো। বারবার মনে হচ্ছিল যে আমাকে আরও বেশি বল খেলতে হবে এবং তাদের নিরাপদ রাখতে হবে। কারণ, তারা নিরাপদ থাকলে আমিও নিরাপদ থাকি।’



