দুই মাসে দুবার ট্র্যাকে হতাশা: ইমরানুর রহমানের বিশ্ব ইনডোর অ্যাথলেটিকসে ৩৭তম স্থান
বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে পোল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ইনডোর অ্যাথলেটিকসে অংশ নেন ইমরানুর রহমান। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তিনি ৬০ মিটার দৌড়ে ৪৯ জন অ্যাথলেটের মধ্যে ৩৭তম স্থান অধিকার করেন। এই প্রতিযোগিতায় তাঁর সময় লেগেছে ৬.৭১ সেকেন্ড।
ফেব্রুয়ারির এশিয়ান ইনডোরের পর আবারও ব্যর্থতা
মাত্র দুই মাসের মধ্যে এটিই ইমরানুর রহমানের দ্বিতীয় হতাশাজনক উপস্থিতি। ফেব্রুয়ারিতে এশিয়ান ইনডোর অ্যাথলেটিকসে ৬০ মিটার দৌড়ে নিজের হিটে দ্বিতীয় হয়ে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়েন তিনি। এবারের বিশ্ব ইনডোরে একই দূরত্বে দৌড়াতে নেমে হিটে সাতজনের মধ্যে পঞ্চম হন।
তবে একটি ইতিবাচক দিক হলো, এবারের টাইমিংয়ে এশিয়ান ইনডোরের চেয়ে ০.০২ সেকেন্ডের উন্নতি দেখা গেছে। এশিয়ান ইনডোরে তাঁর সময় ছিল ৬.৭৩ সেকেন্ড, যা বিশ্ব ইনডোরে ৬.৭১ সেকেন্ডে উন্নীত হয়েছে।
কাজাখস্তানে সোনা জয়ের স্মৃতি
২০২৩ সালে কাজাখস্তানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ইনডোর অ্যাথলেটিকসে ইমরানুর রহমান ৬০ মিটার স্প্রিন্টে সোনা জিতে চমক দেখিয়েছিলেন। সেবার তাঁর সময় লেগেছিল ৬.৫৯ সেকেন্ড, যা এখনো ৬০ মিটারে তাঁর ক্যারিয়ারসেরা টাইমিং হিসেবে রেকর্ড হয়ে আছে।
এই সোনা জয় অ্যাথলেটিকসে এশিয়ার শীর্ষ স্তরে বাংলাদেশের কোনো অ্যাথলেটের সর্বোচ্চ পদক হিসেবে স্বীকৃত। এশিয়ান ইনডোরে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মোট তিনজন অ্যাথলেট পদক জিতেছেন।
বাংলাদেশের অন্যান্য পদকজয়ী অ্যাথলেট
- ইমরানুর রহমান ছাড়াও, রুপা পদক জিতেছেন জহির রায়হান। ২০২৪ সালে ৪০০ মিটার স্প্রিন্টে তিনি ৪৮.১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন।
- একই বছর হাই জাম্পে ২.১৫ মিটার লাফিয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন মাহফুজুর রহমান।
বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন এই অ্যাথলেটদের সমর্থন ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে চলেছে, যদিও সাম্প্রতিক ফলাফলে কিছুটা হতাশা দেখা দিয়েছে।



