আইপিএলের ফাইনালে মাঠে নামার আগেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বৈভব সূর্যবংশীর অরেঞ্জ ক্যাপ। আইপিএলে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের দৌড়ে মৌসুমজুড়েই সবার সামনে ছিলেন রাজস্থান রয়্যালসের এই ১৫ বছর বয়সী ব্যাটার। তবে ফাইনালে শুভমন গিল ও সাই সুদর্শনের সামনে সুযোগ ছিল বৈভবকে টপকে যাওয়ার। কিন্তু দুজনের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। শুভমন ১০ রান এবং সাই সুদর্শন ১২ রান করে আউট হয়ে যান। এরপরই বৈভবের অরেঞ্জ ক্যাপ জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।
ফাইনালের মাত্র ২২ বল পরেই তার এই অর্জন নিশ্চিত হয়ে যায় বলে ধরা হয়, কারণ আর কেউ তার মোট রানের কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারেননি। তাদের দুজনের পর বৈভবের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ব্যবধান এতটাই বেশি ছিল যে কোহলির পক্ষে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
ফাইনালের আগে বৈভবের রান ছিল ১৬ ম্যাচে ৭৭৬। শুভমন গিলের সংগ্রহ ছিল ৭২২ রান এবং সাই সুদর্শনের ৭১০ রান। কোহলির রান ছিল ৬০০। ফলে কোহলিকে বৈভবকে ছাড়িয়ে যেতে ফাইনালে করতে হতো ১৭৭ রান; যা বাস্তবিকভাবে অসম্ভব হয়ে পড়ে।
ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স প্রথমে ব্যাট করে তোলে ১৫৫ রান। ফলে বৈভবের অরেঞ্জ ক্যাপ জয়ের পথ আরও পরিষ্কার হয়ে যায়। এই অর্জনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈভব সূর্যবংশী আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে অরেঞ্জ ক্যাপ জয়ের রেকর্ড গড়লেন।
১৬ ইনিংসে তার ৭৭৬ রানের মধ্যে রয়েছে একাধিক বিধ্বংসী ইনিংস। পুরো মৌসুমজুড়েই তিনি ছিলেন ধারাবাহিক ও আক্রমণাত্মক। অন্যদিকে ফাইনালের পারফরম্যান্সে গুজরাটের দুই ব্যাটার বড় রান না পাওয়ায় দৌড়ে আর কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে বৈভবের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ণ থাকে।
ফলে দল ফাইনালে উঠতে না পারলেও মৌসুম শেষে আইপিএলের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হিসেবে ইতিহাসে জায়গা করে নিচ্ছেন এই কিশোর ব্যাটার।



