প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈসাবি উৎসবে শুভেচ্ছা: জাতীয় ঐক্যের বার্তা
পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান) উপলক্ষে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১১ এপ্রিল) এ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি সকলের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা প্রকাশ করেন।
বৈসাবি ও বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে প্রতিটি নৃগোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। একই সঙ্গে তিনি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাও জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায় অথবা পাহাড় কিংবা সমতলে বসবাসকারী সকলে-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায় এবং পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সকলের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি ও আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জাতীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির গুরুত্ব
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সারা বিশ্বে দেশের মর্যাদায় এক উজ্জ্বলতর ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সকল নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সমান অধিকার ও শান্তির প্রত্যাশা
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার। বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সকলের জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে বলেও শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এই বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈসাবি উৎসবকে কেন্দ্র করে জাতীয় ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন, যা দেশের সামাজিক শান্তি ও উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।



