গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসব নবান্নের আমেজে ভরে উঠেছে। প্রতিবছরের মতো এবারও জমকালো আয়োজনে মেতে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উৎসবটিতে দেখা মিলেছে নানা রকমের পিঠা, পায়েস ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাবারের।
পিঠার সম্ভার
উৎসবে অংশ নেওয়া বিভিন্ন স্টলে শোভা পাচ্ছে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা, দুধচিতই ও নারকেল পুলির মতো জনপ্রিয় পিঠা। স্থানীয় নারীদের হাতে তৈরি এসব পিঠা দর্শনার্থীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পিঠার প্রতি আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।
নবান্নের তাৎপর্য
নবান্ন উৎসব মূলত কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত। নতুন ধান কাটার পর এই উৎসব পালন করা হয়। এ বছর নবান্ন উৎসবে পিঠা ছাড়াও ছিল নানা রকমের পায়েস ও মিষ্টান্নের আয়োজন। আয়োজকরা জানান, এই উৎসবের মাধ্যমে গ্রাম বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
- ভাপা পিঠা: ধানের গুঁড়া ও নারকেল দিয়ে তৈরি
- চিতই পিঠা: মাটির চুলায় তৈরি এক প্রকার পিঠা
- পুলি পিঠা: নারকেল ও খেজুরের গুড় দিয়ে তৈরি
স্থানীয় বাসিন্দাদের অংশগ্রহণ
উৎসবে স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। তারা নিজেদের হাতে তৈরি পিঠা নিয়ে এসেছেন। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে উৎসবে যোগ দিয়েছেন এবং পিঠা খেয়ে সময় কাটিয়েছেন। আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, প্রতিবছর এই উৎসবের মাধ্যমে গ্রামের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি বাড়ে।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
আয়োজকরা জানান, আগামী বছরেও এই উৎসব আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তারা চান তরুণ প্রজন্ম যাতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে। এছাড়া পিঠা উৎসবকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করারও পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব উপভোগ করতে পারেন।



