বাংলাদেশ থেকে এ পর্যন্ত ৪৭ হাজার ৫৪ জন হজ্জযাত্রী ১২০টি হজ্জ ফ্লাইটে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। বাংলাদেশ হজ্জ অফিসের পরিচালক মো. লোকমান হোসাইন বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত জেদ্দায় ১২০টি ফ্লাইট অবতরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যু ও চিকিৎসা পরিষেবা
হজ্জ বুলেটিন অনুযায়ী, প্রাকৃতিক কারণে এ পর্যন্ত ১০ জন হজ্জযাত্রী মারা গেছেন। এর মধ্যে আটজন মক্কায় এবং দুজন মদিনায়। সৌদি মেডিকেল টিম ১৪ হাজার ৩৯ জন হজ্জযাত্রীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে। এছাড়া আইটি হেল্পডেস্ক মঙ্গলবার পর্যন্ত ১১ হাজার ৪৬২ জনকে চিকিৎসা সেবা দিয়েছে।
হজ্জ ব্যবস্থাপনা
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ্জে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৬০টি এজেন্সি হজ্জ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি লিড এজেন্সি এবং ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে। এয়ারলাইনভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৫টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ১০ জন, সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৪টি ফ্লাইটে ১৬ হাজার ৯৫৩ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২১টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৯১ জন হজ্জযাত্রী পৌঁছেছেন। বাকি ৩১ হাজার ২৭০ জন হজ্জযাত্রী নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ধীরে ধীরে পৌঁছাবেন বলে পরিচালক জানান।
প্রথম ফ্লাইট ও ভিসা
প্রথম হজ্জ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) ৪১৮ জন হজ্জযাত্রী নিয়ে গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান। মোট হজ্জযাত্রীর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজ্জে যাবেন। ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত মোট ৭৮ হাজার ৩২৪টি ভিসা ইস্যু করেছে, যার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৪৪৫টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৮৭৯টি।
হজ্জের সময়সূচি
চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে পবিত্র হজ্জ আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফেরত ফ্লাইট ৩০ মে জেদ্দা থেকে শুরু হবে এবং শেষ ফেরত হজ্জ ফ্লাইট ৩০ জুন ছেড়ে যাবে।



