ঈদুল আজহা হলো ঐক্য, কৃতজ্ঞতা এবং প্রিয়জনদের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার উৎসব। শহর সচল রাখতে যারা প্রতিদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন, তাদের সাথে এই উৎসবের আনন্দ উদযাপন করতে ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্ম পাঠাও তার হিরোদের জন্য একটি বিশেষ ‘পাঠাও ঈদ বাজার’-এর আয়োজন করেছে। এই উদ্যোগে রাইডস, ফুড ও পার্সেল সার্ভিসে বছরজুড়ে অসাধারণ পারফর্ম করা ৫০০ জনেরও বেশি সেরা পাঠাও হিরো অংশ নেন।
হিরোদের জন্য বিশেষ আয়োজন
এই আয়োজনে হিরোরা নিজেদের এবং পরিবারের জন্য ঈদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও উপহার বেছে নেন। প্রতিদিন লাখ লাখ গ্রাহকদের মুখে হাসি ফোটানো এই হিরোরা যেন প্রিয়জনদের সাথে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সেটাই ছিল পাঠাও-এর এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
পাঠাও-এর বিবৃতি
এ প্রসঙ্গে পাঠাও-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবরার হাসনাইন বলেন, "আমাদের হিরোরাই পাঠাওয়ের সব কাজের মূল চালিকাশক্তি। তারা প্রতিদিন সারা দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষের সেবা করতে গিয়ে প্রায়ই নিজেদের পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ হারান। ‘পাঠাও ঈদ বাজার’-এর মাধ্যমে আমরা সেই মানুষদের জন্য আনন্দ ও কৃতজ্ঞতার একটি অর্থপূর্ণ মুহূর্ত তৈরি করতে চেয়েছি, যারা সারা বছর আমাদের ইউজারদের পাশে থাকেন। আমাদের হিরো এবং তাদের পরিবারকে ঈদ মোবারক।"
হিরোদের প্রতিক্রিয়া
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া হিরোরা জানান, এই ধরনের উদ্যোগ তাদের সম্মানিত ও মূল্যায়িত বোধ করায়। তারা আরও বলেন, এই স্বীকৃতি তাদের প্রতিদিন সেরা সেবা দেওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করে। ‘পাঠাও ঈদ বাজার’-এর মতো উদ্যোগের মাধ্যমে পাঠাও তার হিরোদের পাশে থাকা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোতে সত্যিকার অর্থে "আপনার পাশেই আছি" প্রতিশ্রুতি পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
পাঠাও-এর অর্জন
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইডশেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৪,০০,০০০ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২,০০,০০০ মার্চেন্ট এবং ১৫,০০০ রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৬,০০,০০০-এরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।



