বিউটি ও ওয়েলনেস জগতে নতুন ট্রেন্ডের অভাব নেই। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে এমন একটি উপাদান, যা আসলে নতুন কিছু নয়। টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও বিভিন্ন অনলাইন ফোরামে ব্যবহারকারীরা ডিওডোরেন্টের বিকল্প হিসেবে ফিটকিরির কার্যকারিতা নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।
ফিটকিরি কেন জনপ্রিয় হচ্ছে?
কেউ বলছেন, এটি সারাদিন শরীরের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে; কেউ আবার দাবি করছেন, বাজারের অনেক ডিওডোরেন্টের তুলনায় এটি বেশি স্বস্তিদায়ক। সামাজিক মাধ্যমে এই আলোচনা নতুন প্রজন্মের অনেকের মধ্যেই পুরোনো এই ঘরোয়া উপাদান সম্পর্কে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।
কীভাবে ব্যবহার করবেন?
ফিটকিরি সাধারণত পানিতে গুলে বা পাথর আকারে ব্যবহার করা হয়। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান হিসেবে কাজ করে, যা ঘামের গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে। তবে ত্বকের সংবেদনশীলতা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিটকিরি দীর্ঘদিন ধরে ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটি সবার জন্য উপযোগী নাও হতে পারে। ত্বকে জ্বালা বা অ্যালার্জি দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করা উচিত।
সামাজিক মাধ্যমের এই ট্রেন্ডটি প্রমাণ করে যে, প্রাকৃতিক ও সহজলভ্য উপাদানের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তবে যেকোনো নতুন পণ্য বা পদ্ধতি ব্যবহারের আগে সতর্কতা অবলম্বন করা ভালো।



