সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের দেশের সম্পদ গড়ে তোলার অঙ্গীকার সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর
শিশু পরিবারে দুর্নীতি বরদাশত হবে না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের দেশের সম্পদ গড়ে তোলার অঙ্গীকার

সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের দেশের মূল্যবান সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে, শিশুদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বা সুযোগ-সুবিধায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না।

রংপুরে শিশু পরিবার পরিদর্শন ও মন্তব্য

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর মডার্ন মোড়ে অবস্থিত সরকারি শিশু পরিবার সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর।

মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, "এই শিশুরা যেন কখনো নিজেদের পরিবারহীন বা পিছিয়ে পড়া মনে না করে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।" পাশাপাশি উত্তরবঙ্গসহ সারাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নেও সরকারের কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, শিশুদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ বা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতি হলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল থাকবে।

তিনি আরও যোগ করেন, "বরাদ্দে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ঘটনা ঘটলে কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" সরকারের এই অবস্থান শিশু কল্যাণ নিশ্চিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সরকারের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সরকারি শিশু পরিবারগুলোতে শিশুদের সার্বিক বিকাশের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হচ্ছে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বাসস্থানের মানোন্নয়ন
  • মনোসামাজিক সহায়তা ও কাউন্সেলিং সেবা প্রদান
  • দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ
  • সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিশেষ বৃত্তি ও অনুদান কার্যক্রম

মন্ত্রী বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ শুধু শিশুদেরই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ, তাই তাদের সুরক্ষা ও উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।