বাংলাদেশে পরিবেশ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি উঠেছে। সম্প্রতি তার নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নীতির কারণে পরিবেশবাদী সংগঠন ও সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। তারা বলছেন, উপদেষ্টা পরিবেশ সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তার নীতিগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
পদত্যাগের কারণ
পরিবেশ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি উন্নয়নের নামে বন ও জলাভূমি ধ্বংসের অনুমোদন দিয়েছেন। এতে করে দেশের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিক্রিয়া
পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে। তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে, পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক। অন্যদিকে, সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, উপদেষ্টার নীতিগুলো উন্নয়নের স্বার্থে নেওয়া হয়েছে এবং তা পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। তারা উপদেষ্টার নীতির পুনর্মূল্যায়নের পরামর্শ দিয়েছেন।



