বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রবাসীর স্ত্রীর অবস্থান
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রবাসীর স্ত্রীর অবস্থান

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিয়ের দাবিতে এক প্রবাসীর স্ত্রী তার প্রেমিকের বাড়িতে টানা দুদিন ধরে অবস্থান করছেন। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বালিয়াজান গ্রামের সাব্বির হোসেনের বাড়িতে অবস্থান করছেন ওই নারী, যিনি এক সন্তানের জননী এবং সিঙ্গাপুর প্রবাসী ফারুক হোসেনের স্ত্রী। ফারুক হোসেন বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোনালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়দের ব্যর্থ সমাধান প্রচেষ্টা

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউপি সদস্য ফিরোজা বেগমসহ স্থানীয়রা বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এক সন্তানের জননী ওই নারী একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বালিয়াজান গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে সাব্বিরের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক সপ্তাহ আগে ফারুক সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরেন। এরপর মঙ্গলবার সকালে ওই নারী বিয়ের দাবিতে সাব্বিরের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন।

জনতার ভিড় ও বৈঠক

ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় জনতা সাব্বিরের বাড়িতে ভিড় করতে থাকেন। সন্ধ্যায় বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং গ্রাম্য মাতবররা বিষয়টি সুরাহার জন্য বালিয়াজান গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম শামুদ্দিনের বাড়িতে বৈঠকে বসেন। তবে সাব্বির পলাতক থাকায় কোনো সমাধান হয়নি বলে জানা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রাম্য মাতবররা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষয়টি সুরাহার জন্য বৈঠকে বসেছিলেন। তবে তিনি অসুস্থ থাকায় সেখানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

নারী সদস্যের বক্তব্য

বাঁশতৈল ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী সদস্য ফিরোজা বেগম বলেন, গ্রাম্য মাতবররা আমাকে বৈঠকে ডেকেছিলেন; কিন্তু সাব্বির বাড়িতে না থাকায় বিষয়টির সমাধান সম্ভব হয়নি। পরে মেয়েটিকে সাব্বিরের মায়ের জিম্মায় রেখে সবাই চলে আসেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ওই নারীর দাবি

ওই নারী দাবি করেন, সাব্বির তাকে মির্জাপুর, কালিয়াকৈর, গাজীপুর ও টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে নিয়ে গেছেন এবং তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কও করেছেন। তিনি বলেন, সাব্বির আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে ডেকে এনে এখন পালিয়ে গেছে। আমি স্বামী-সন্তান রেখে তার আশ্বাসে এখানে এসেছি। আমি সাব্বিরের সঙ্গেই বাঁচব, সাব্বিরের সঙ্গেই মরব। ফিরে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই।