উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামের মাত্রা বাড়ে। ঘাম বসলে ছত্রাক, ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। ফলে র্যাশ, চুলকানি, ফুস্কুড়ির মতো নানা সমস্যা দেখা যায়। তবে শুধু ঘাম নয়, নেপথ্যে থাকতে পারে পোশাকের ভুলভ্রান্তিও।
পোশাক কীভাবে চুলকানির কারণ হয়?
নাইলন, পলিয়েস্টার কিংবা সিল্কের মতো কাপড় ঘাম শুষে নিতে পারে না। ফলে ত্বকের ওপর ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের জন্ম দেয়। আর অতিরিক্ত টাইট পোশাক পরলে ত্বকে বাতাস চলাচল করতে পারে না। এতে কাপড়ের ঘর্ষণে ত্বক ছিলে যায় এবং চুলকানি বাড়ে।
সঠিক পোশাক বাছাইয়ের টিপস
- সুতি ও লিনেন পোশাক পরুন: গরমের মৌসুমে সুতির হালকা পোশাকই ভালো। সুতি ত্বকবান্ধব। বাজারে অনেক কৃত্রিম পোশাক ত্বকবান্ধব নয়।
- ঢিলেঢালা পোশাক চয়ন করুন: আঁটসাঁট পোশাক গায়ের ওপর চেপে থাকে বলে ঘাম বেশি হয়। চুলকানি ও র্যাশের সমস্যাও বেড়ে যায়। এমন পোশাক পরুন যাতে হাওয়া খেলে।
- প্রতিদিন পোশাক কাচুন: ঘামের কারণে প্রতিদিনই জামা সাবান দিয়ে কেচে নেওয়া প্রয়োজন। শুধু কাচলেই হবে না, রোদে বা হাওয়ায় খুব ভালো করে শুকাতেও হবে।
- অন্তর্বাসের যত্ন নিন: অন্তর্বাস শরীরে এঁটে থাকে বলে দিনভর ঘামে ভেজে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর না কাচলে ত্বকে সংক্রমণ হতে পারে।
- ড্রায়ার এড়িয়ে চলুন: ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ারে শুকানো পোশাক পরা ঠিক নয়। রোদে বা হাওয়ায় অন্তত ২ ঘণ্টা জামা মেলে রাখা উচিত।
একদিকে প্রচণ্ড রোদ শরীরে জ্বালা ধরায়, অন্যদিকে ঘাম জমে র্যাশ বেরোয়। গরমে যন্ত্রণার শেষ নেই। এ সমস্যার নেপথ্যে শুধু ভ্যাপসা গরম নয়, রয়েছে পোশাকেরও ভুলভ্রান্তি। মৌসুম অনুযায়ী সঠিক পোশাক বাছাই শুধু আরাম দেয় না, বরং সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে।



