ফ্যাশন শিল্পে টেকসই পোশাকের প্রতি আগ্রহ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত এক বছরে টেকসই ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর চাহিদা প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্রেতারা এখন পরিবেশবান্ধব এবং নৈতিকভাবে উৎপাদিত পোশাককে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
টেকসই ফ্যাশনের উত্থান
পরিবেশ সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাশন জগতে টেকসই পোশাকের গুরুত্ব বেড়েছে। অনেক বড় ব্র্যান্ড এখন রিসাইকেল্ড ম্যাটেরিয়াল এবং অর্গানিক কটন ব্যবহার করছে। ফ্যাশন ডিজাইনাররা বলছেন, টেকসই পোশাক শুধু পরিবেশের জন্যই নয়, বরং স্টাইলিশ এবং টেকসইও হয়।
ক্রেতাদের পছন্দ বদলাচ্ছে
একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ তরুণ ক্রেতা পরিবেশবান্ধব পোশাক কিনতে আগ্রহী। তারা দ্রুত ফ্যাশনের পরিবর্তে দীর্ঘস্থায়ী পোশাক পছন্দ করছে। ফ্যাশন বিশ্লেষক মি. রহমান বলেন, “ক্রেতারা এখন ব্র্যান্ডের স্থায়িত্ব নীতি পরীক্ষা করছেন। যারা পরিবেশবান্ধব, তাদেরই বেশি বিক্রি হচ্ছে।”
শিল্পের প্রতিক্রিয়া
বড় ফ্যাশন হাউজগুলো টেকসই পোশাকের দিকে ঝুঁকছে। তারা নতুন কলেকশনে রিসাইকেল্ড ফেব্রিক ব্যবহার করছে। এছাড়া, ফ্যাশন উইকগুলোতে টেকসই পোশাকের প্রদর্শনী বাড়ছে। শিল্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী পাঁচ বছরে টেকসই ফ্যাশনের বাজার দ্বিগুণ হবে।
তবে, টেকসই পোশাকের দাম এখনও কিছুটা বেশি। কিন্তু ক্রেতারা গুণগত মান এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য অতিরিক্ত অর্থ দিতে রাজি হচ্ছেন। বাংলাদেশের মতো দেশে টেকসই ফ্যাশনের সম্ভাবনা অনেক বেশি বলে মত দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা।



