দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকটের কারণে খাদ্য নিরাপত্তা গুরুতর হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি ও দারিদ্র্য বেড়ে যাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ কঠিন হয়ে পড়েছে।
মূল্যস্ফীতির প্রভাব
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। চাল, ডাল, তেলসহ মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম প্রায় ২০-৩০ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এর ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো খাদ্য কেনার সক্ষমতা হারাচ্ছে।
দারিদ্র্য ও অপুষ্টি
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২৫ শতাংশে পৌঁছেছে। অপুষ্টিতে ভুগছে প্রায় ৩০ শতাংশ শিশু। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংস্থা ‘ফুড সিকিউরিটি নেটওয়ার্ক’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান সংকট চলতে থাকলে আরও ১ কোটি মানুষ খাদ্য অনিরাপদ হয়ে পড়তে পারে।
সরকারের পদক্ষেপ
সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “আমরা খাদ্যশস্যের মজুত বাড়িয়েছি এবং টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিতরণ করছি।” তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উদ্যোগ যথেষ্ট নয়।
আন্তর্জাতিক সহায়তা
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। ডব্লিউএফপি-র কান্ট্রি ডিরেক্টর ডম স্কালপেলি বলেন, “সংকট মোকাবিলায় দ্রুত ও টেকসই সমাধান প্রয়োজন।”



