কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পেলে করণীয়
কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পেলে করণীয় কী

ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এই সময়ে যেসব মুসলমানের ওপর কোরবানি ওয়াজিব, তারা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকেন। আল্লাহর জন্য পশু উৎসর্গ করাকে কোরবানি বলা হয়, যা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ ইবাদত। আল্লাহর রাসুল (সা.) কোরবানি করতে উৎসাহ দিয়েছেন এবং যারা সামর্থ্যবান তাদের জন্য এটি ওয়াজিব। যারা কোরবানি করবে না, তাদের রাসুল (সা.) ভর্ৎসনা করেছেন।

কোরবানির পশু নির্বাচন

কোরবানি দিতে হয় অহিংস্র গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু দিয়ে। শরিয়তে কোরবানির জন্য উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা পছন্দের পশু হিসেবে বিবেচিত। মহানবী (সা.) এই পশুগুলো ছাড়া অন্য কোনো পশু কোরবানির অনুমোদন দেননি। তাই এসব পশু দিয়েই কোরবানি করতে হবে। এছাড়া পশুর ক্ষেত্রে সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত পশু নির্বাচন করা আবশ্যক। বড় ধরনের অসুস্থতা বা ত্রুটি থাকলে সেই পশু দিয়ে কোরবানি শুদ্ধ হয় না।

জবাইয়ের পর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে করণীয়

এখন অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, জবাইয়ের পর কোরবানির পশুর পেটে বাচ্চা পাওয়া গেলে কী করবেন? এ প্রসঙ্গে ইসলামের বিধান হলো, কোরবানির পশু জবেহ করার পর তার পেটে জীবিত বাচ্চা পাওয়া গেলে তাকেও জবেহ করে দিতে হবে এবং তার গোশতও খাওয়া যাবে। সেই গোশত সদকাও করা যেতে পারে। তবে কোরবানির পশু কেনার পর জবাইয়ের আগে তার বাচ্চা হলে সেই বাচ্চাকে জীবিত সদকা করে দিতে হবে। কিন্তু যদি কেউ তা জবাই করে গোশত খেয়ে ফেলে, তবে বাচ্চাটির মূল্য সদকা করে দিতে হবে। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া: ৪/৩২২, আল মুহীতুল বুরহানী: ৮/৪৭১, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩০১, রদ্দুল মুহতার: ৬/৬২২)

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ