এসির সঙ্গে ফ্যান চালিয়ে বিদ্যুৎ খরচ কমানো কি আসলেই সম্ভব?
এসির সঙ্গে ফ্যান চালিয়ে বিদ্যুৎ খরচ কমানো কি সম্ভব?

গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহে সূর্যের প্রখরতা এখন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। বাইরে বের হলেই গরমে মানুষ অস্বস্তিতে পড়ছে। ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে এসির ওপর নির্ভর করছেন। তাপমাত্রা যত বাড়ছে, ঘর ঠান্ডা রাখতে এসির ব্যবহারও তত বাড়ছে। দীর্ঘ সময় এসি চালালে স্বস্তি মিললেও বিদ্যুৎ বিল অনেক বেড়ে যায়—কখনো কখনো তা ১০০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্তও বৃদ্ধি পায়।

এসির সঙ্গে ফ্যান চালানো কি কার্যকর?

এই বাড়তি খরচ কমাতে অনেকে এসির সঙ্গে ফ্যানও চালান। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতে কি সত্যিই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়? অনেকের মধ্যে ধারণা আছে যে এসি ও ফ্যান একসঙ্গে চালালে বিদ্যুৎ কম লাগে। তবে বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। ফ্যান নিজেও বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, যদিও তা এসির তুলনায় অনেক কম। তাই দুটো একসঙ্গে চালালে সরাসরি খরচ কমে যায়—এমনটা সবসময় ঠিক নয়।

ফ্যানের সুবিধা ও সঠিক ব্যবহার

তবে ফ্যানের একটি সুবিধা হলো, এটি ঠান্ডা বাতাস দ্রুত ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে দেয়। ফলে এসিকে একই তাপমাত্রা বজায় রাখতে অতিরিক্ত কাজ করতে হয় না। এতে কিছু ক্ষেত্রে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহার কমতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এসির তাপমাত্রা সেটিং। অনেকেই ২০ বা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালান, যা বিদ্যুৎ খরচ অনেক বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে যদি ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালিয়ে সঙ্গে ফ্যান ব্যবহার করা হয়, তাহলে ঘর আরামদায়ক থাকে এবং তুলনামূলকভাবে বিদ্যুৎ খরচও কম হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপসংহার

সব মিলিয়ে বলা যায়, সঠিক তাপমাত্রায় এসি ব্যবহার এবং ফ্যানের সহায়তা নিলে গরমে আরাম পাওয়া যায় এবং বিদ্যুৎ বিলও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই এসির তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রিতে রেখে ফ্যান চালানোই সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ