ফ্যাশনে নতুনত্ব আনলেন নীতা আম্বানি
ফ্যাশনে নতুনত্ব আনলেন নীতা আম্বানি

ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানি শুধু একজন ব্যবসায়ী ও সমাজসেবকই নন, তিনি একজন ফ্যাশনসচেতন নারীও। তার শখ ও সংগ্রহে রয়েছে দামি গহনা থেকে শুরু করে ঐতিহ্যপূর্ণ শাড়ি। সম্প্রতি নিউইয়র্কের 'টাইম ১০০' সামিটে তিনি বাংলার তাঁতশিল্পীর তৈরি জামদানি শাড়ি পরে সবার নজর কেড়েছেন।

নীতার ফ্যাশন প্রেম

নীতা আম্বানির কাছে কোনো কিছুই অধরা নয়। তিনি সোনার পিয়ালায় চা পান করেন এবং বিশ্বের অন্যতম দামি 'অ্যাকোয়া ডি ক্রিস্টালো ট্রিবিউটো আ মদিগ্লিয়ানি' পানি পান করেন, যার একটি ৭৫০ মিলিলিটার বোতলের দাম প্রায় ৫০ লাখ টাকার বেশি। তার সংগ্রহে দামি গহনা ও শাড়ি রয়েছে, যা দেখে মুগ্ধ হন প্রায় সবাই।

জামদানি শাড়ির বিশেষত্ব

নিউইয়র্কের অনুষ্ঠানে নীতা আম্বানি যে জামদানি শাড়িটি পরেছিলেন, সেটি তৈরি করেছেন ফুলিয়ার পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত তাঁতশিল্পী বীরেন বসাক। শাড়িটিতে মীনাকারি কাজ ও উপজাতীয় মোটিফ রয়েছে, যা এর আভিজাত্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে। শাড়িটি তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় দুই বছর, আর দাম পড়েছে ৫ লাখ টাকা।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শাড়ির সঙ্গে সাজসজ্জা

এই জামদানি শাড়ির সঙ্গে নীতা হালকা কাজের রংমিলান্তি ব্লাউজ, গলায় মুক্তোর মালা, হাতে সবুজ পাথরের চুড়ি, কানে পান্নার মতো সবুজ পাথরের দুল এবং বাঁ হাতে আংটি পরেছিলেন। তার মেকআপ ছিল ছিমছাম, হালকা কাজল ও আইলাইনার, আর ঠোঁটে নিউড শেডের লিপস্টিক।

স্বদেশ উদ্যোগ

নীতা আম্বানি 'স্বদেশ' উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের হারিয়ে যাওয়া তাঁতের শাড়ি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন। সে কারণেই তিনি বাংলার জামদানি বেছে নিয়েছেন। 'টাইম ১০০' সামিটে তিনি হাতে বোনা বেনারসি শাড়িও পরেছিলেন, যার সঙ্গে ডিজাইনার মণীশ মালহোত্রার ব্লাউজ ছিল।

অন্যান্য শাড়ি সংগ্রহ

এর আগে 'চেতক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস' অনুষ্ঠানে নীতা সব্যসাচীর ডিজাইনে আকাশতারা শাড়ি পরেছিলেন, যা আগে তার মেয়ে ইশা আম্বানিও পরেছিলেন। নীতার সংগ্রহে ১০১ ক্যারটের হীরার গহনা ও কোটি কোটি টাকার ঘড়ি ও ব্যাগ রয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রীষ্মে জামদানি কেন?

নিউইয়র্কের অনুষ্ঠানে কেন বাংলার তাঁতশিল্পীর জামদানি বেছে নিলেন— এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চর্চা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, গ্রীষ্মকালের জন্য জামদানি আদর্শ, কারণ এটি হালকা ও বাতাস চলাচলে যোগ্য। প্রচণ্ড গরমে ভারি কাজের শাড়ি না পরে জামদানি বা লিনেনের মতো হালকা শাড়ি পরা উচিত।