সিলেটকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা বাণিজ্যমন্ত্রীর
সিলেট আধুনিক পর্যটন নগরী হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেটকে আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সিলেটকে একটি আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য

শনিবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (এসসিসি) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিলেটকে একটি ‘জীবন্ত নগরী’ হিসেবে রূপান্তরের জন্য একটি কাঠামোবদ্ধ পরিকল্পনার অধীনে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে প্রাণবন্ত নগর পরিবেশ, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, নগরীর প্রায় দশ লাখ বাসিন্দা যদি সক্রিয়ভাবে উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন এবং সব প্রকল্পে টেকসইতা নিশ্চিত করা হয়, তাহলেই অর্থপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব হবে। তিনি স্থানীয় সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জলাবদ্ধতা সমাধানের জরুরি প্রয়োজনীয়তা

বাণিজ্যমন্ত্রী জলাবদ্ধতা সমাধানের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে সতর্ক করেন যে, সময়মতো ও কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে নগরীর নিম্নাঞ্চল ভবিষ্যতে বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। তিনি বলেন, “জলাবদ্ধতা একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা অবিলম্বে মোকাবেলা করতে হবে।”

সভায় উপস্থাপনা ও অংশগ্রহণ

এসসিসি সচিব মো. আশিক নূরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজা রফিন সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।

সভায় বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থাপনা প্রদান করা হয়:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ইঞ্জিনিয়ার তন্ময় চাকি জলাবদ্ধতা প্রশমনের উপর একটি পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা করেন।
  • স্থপতি শাকুর মাজিদ প্রস্তাবিত লাল দিঘী পার সুপার মার্কেটের নকশা উপস্থাপন করেন।
  • স্থপতি ইনতেখাব হোসেন সিটি কর্পোরেশন ভবনের অভ্যন্তরীণ নকশা প্রদর্শন করেন।
  • সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর রূপরেখা তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথিদের তালিকা

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএম সারওয়ার উদ্দিন চৌধুরী এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী। তাদের উপস্থিতি এই উন্নয়ন উদ্যোগে বহুস্তরীয় সমর্থন ও অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

বাণিজ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা সিলেটের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সিলেটকে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।