সাংবাদিক ও ঢাবি শিক্ষক শাহেদ কামালের ইন্তেকাল
সাংবাদিক ও ঢাবি শিক্ষক শাহেদ কামালের ইন্তেকাল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের খণ্ডকালীন শিক্ষক এবং সাংবাদিক শাহেদ কামাল ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

শাহেদ কামালের স্বাস্থ্যগত অবস্থা ও মৃত্যু

শাহেদ কামালের সহকর্মী ও শিক্ষার্থীরা জানান, তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

পরিবার ও পেশাগত জীবন

কবি সুফিয়া কামালের বড় ছেলে শাহেদ কামাল। ১৯৫৭ সাল থেকে সাংবাদিকতায় যুক্ত শাহেদ কামাল দীর্ঘদিন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) বার্তা সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি ১৯৭৬ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শেষকৃত্য ও দাফন

শনিবার রাত নয়টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় শাহেদ কামালের মরদেহ হাসপাতাল থেকে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে কবি সুফিয়া কামালের বাসভবন ‘সাঁঝের মায়া’য় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল রোববার বাদ জোহর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে জানাজা হবে তার। এরপর রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে মা সুফিয়া কামালের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ