পরকীয়ার অভিযোগে ভেঙে গেল মৌসুমী হামিদ ও আবু সাইয়িদ রানার সংসার
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ ও লেখক-নাট্যকার আবু সাইয়িদ রানার দুই বছরের বিবাহিত জীবন শেষের দিকে। অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদের দাবি, স্বামীর পরকীয়ার কারণেই তাদের সংসার ভেঙে গেছে। তবে এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন আবু সাইয়িদ রানা।
মৌসুমী হামিদের বক্তব্য: পরকীয়াই মূল কারণ
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে মৌসুমী হামিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা যা শুনেছেন, ঠিকই শুনেছেন। এ নিয়ে বিস্তারিত বলার মতো মানসিক অবস্থায় নেই আমি।’ অভিনেত্রী আরও জানান, গত বছরের নভেম্বর মাস থেকেই তিনি স্বামীর সঙ্গে থাকছেন না।
মৌসুমী হামিদের ভাষ্যে, বিয়ের আট মাসের মাথায় প্রথমবারের মতো প্রতারণার ঘটনা ঘটে। এরপর আরও কয়েকবার আবু সাইয়িদ রানার অনিয়ম ধরা পড়লেও সংসারের কথা ভেবে তিনি সেসব এড়িয়ে যান। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাটি বেশ গুরুতর ছিল এবং প্রমাণসহ ধরা পড়ায় এবার আর মানা সম্ভব হয়নি তার পক্ষে।
‘আমার মনে হয়েছে, যথেষ্ট। আর নয়। এর চেয়ে বরং আলাদা থাকাই ভালো,’ বলেছেন মৌসুমী হামিদ।
আবু সাইয়িদ রানার জবাব: পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার
অন্যদিকে, লেখক-নাট্যকার আবু সাইয়িদ রানা পরকীয়ার সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মাসচারেক ধরে আমরা আলাদা থাকছি। একসঙ্গে থাকতে পারছি না, তাই আলাদা থাকা। এর বাইরে আপাতত এ বিষয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছি না।’
জানা গেছে, নুসরাত তুবা নামে এক তরুণীর সঙ্গে রানার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথাও প্রচারিত হচ্ছে। এই সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই সংসারে অশান্তি শুরু হয় এবং সন্দেহ ও শঙ্কার পরিবেশ তৈরি হয়। এই দ্বন্দ্বের ফলস্বরূপ এক পর্যায়ে সম্পর্কচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন রানা এবং মৌসুমী হামিদকে ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়।
দীর্ঘ বন্ধুত্বের পর বিয়ে ও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের পরিচয় ও বন্ধুত্বের পর ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মৌসুমী হামিদ ও আবু সাইয়িদ রানা। তাদের সেই জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানে শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকাও উপস্থিত ছিলেন।
দুই বছর আগে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক এখন ভেঙে যাওয়ার পথে। অভিনেত্রীর দাবি অনুযায়ী, স্বামীর পরকীয়াই এই সংসার ভাঙনের মূল কারণ। তবে স্বামী পক্ষ এই অভিযোগ মানতে নারাজ। ঢালিউডের এই দম্পতির ভাঙন নিয়ে এখন তোলপাড় চলছে বিনোদন অঙ্গনে।



