অভিনেতা পলাশের প্রশংসায় সাদিয়া আয়মান, ওয়েব ফিল্ম 'লাভ সিটার'-এ অভিনয়ে দশে দশ
অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানের অভিনয় দক্ষতাকে উচ্চ প্রশংসা করেছেন অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। তাঁরা একসঙ্গে প্রথমবারের মতো বঙ্গের জন্য নির্মিত ওয়েব ফিল্ম 'লাভ সিটার'-এ অভিনয় করেছেন। গতকাল এই সিনেমাটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পলাশ সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেন এবং সাদিয়ার অভিনয়কে দশে দশ রেটিং দেন।
সহশিল্পী হিসেবে সাদিয়ার অভিনয়ে মুগ্ধ পলাশ
'কাবিলা' চরিত্রের জন্য পরিচিতি পাওয়া জিয়াউল হক পলাশ বলেন, 'আমি সহশিল্পী হিসেবে তাকেই গুরুত্ব দিই, যার সঙ্গে অভিনয় করলে মনে হয় না আমি অভিনয় করছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, তেমনই একজন অভিনয়শিল্পী সাদিয়া আয়মান। প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত—এমনকি ডাবিংয়ের সময়েও সাদিয়া চরিত্রের মধ্যেই ছিল। শুরু থেকেই সে গল্পের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। সহশিল্পী হিসেবে আমি বলব, সাদিয়া ১০–এ ১০ পাবে।'
এ সময় পলাশের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সাদিয়া আয়মান। পলাশের অভিনয় নিয়ে সাদিয়া জানান, বিড়াল নিয়ে গল্প হলেও শুরুতে পলাশ বিড়াল নিয়ে কিছুটা ভয়ের মধ্যে ছিলেন। পরে সেই ভয় কেটেছে। পুরো গল্পে মনেই হয়নি পলাশ বিড়াল ভয় পান, বলেন সাদিয়া।
সাদিয়া আয়মানের বিশেষ অনুভূতি 'লাভ সিটার'-এ
সাদিয়া আয়মান প্রিমিয়ার শেষে সিনেমাটি সম্পর্কে বলেন, 'আমার কাছে কাজটি অনেক স্পেশাল। প্রথম অনেক কিছুই আছে এই ফিল্মে। আমার সহশিল্পী ও বঙ্গের সঙ্গে প্রথম কাজ। আমি নিজেও একজন পেট (বিড়াল) লাভার। আমার পোষা তিনটা বিড়াল আছে। আমি ওদের সঙ্গে খুবই কানেকটেড। এ কারণে অভিনয়ের সময় অনেক কিছুই আমাকে সহায়তা করেছে। অনুভূতিগুলো আমার জানা। শুটিংয়েও দারুণ সময় কেটেছে। এটা দর্শকদের ভালো লাগবে।'
অমিতাভ রেজার পরিচালনায় 'লাভ সিটার'-এর গল্প
সাদিয়া আয়মান ও পলাশের প্রেমের গল্প নিয়েই এগিয়ে যাবে সিনেমাটি। 'লাভ সিটার' যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী মুশফিকা মাসুদ। ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অমিতাভ রেজা বলেন, 'গল্পটি আমার কাছে খুব ব্যক্তিগত। বড় শহরে মানুষে ভরা জীবনের মধ্যেও একধরনের নিঃসঙ্গতা থাকে, যা অনেক সময় আমরা নিজেরাও বুঝতে পারি না। 'লাভ সিটার' সেই নিঃসঙ্গতার ভেতরে জন্ম নেওয়া এক অদ্ভুত সম্পর্কের গল্প। আমরা দেখতে চেয়েছি, ভালোবাসা সব সময় বড় কোনো নাটকীয় ঘটনা নয়; অনেক সময় তা খুব নীরব, খুব সাধারণ, কিন্তু গভীরভাবে মানবিক।'
এই ওয়েব ফিল্মটি ঢালিউডের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পারস্পরিক সমর্থন ও সহযোগিতা দর্শকদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করবে।
