ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন ইরফান সাজ্জাদ, নির্বাচন নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত
ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন ইরফান সাজ্জাদ

ভোট না দেওয়ার কারণ জানালেন ইরফান সাজ্জাদ, নির্বাচন নিয়ে প্রত্যাশা ব্যক্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভবিষ্যত সরকার ও ভোটের দিন নিয়ে আলোচনা এখন সবার মুখে মুখে। এই আলোচনায় পিছিয়ে নেই শোবিজ তারকারাও। অনেক অভিনয় শিল্পীই ভবিষ্যত সরকারের প্রতি নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে রাখছেন। এরই মধ্যে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা সামনে এনেছেন, যার কারণে এবারো তিনি ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন না।

ভোটার হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রতারণার শিকার

জানা যায়, ইরফান সাজ্জাদ চট্টগ্রাম-১০ আসনের ভোটার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেননি। তিনি বলেন, ‘ভোটার হওয়ার পর প্রথমবার খুব উৎসাহ নিয়ে ভোট দিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু কেন্দ্রে গিয়ে দেখি, আমার ভোট আগেই অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে। ঘটনাটা আমাকে ভীষণভাবে হতাশ করেছিল। এর পর থেকে আর কখনো ভোট দিতে ইচ্ছে হয়নি।’ এই অভিজ্ঞতার কারণে তিনি বরাবরের মতো এবারো ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন।

ভবিষ্যত সরকারের প্রতি প্রত্যাশা

ভোট না দিলেও ভবিষ্যত সরকারের কাছে তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সাজ্জাদ। তিনি বলেন, ‘আমাদের খুব বেশি চাওয়া নেই। চাই নতুন সরকার জনগণের সরকার হোক, আপামর জনসাধারণের হোক। জনগণের কাছাকাছি থাকুক, তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করুক। ব্যস, এতটুকুই। অবশ্যই অনুরোধ করতে চাই, সবচেয়ে বেশি যেটা জরুরি— প্রথমে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি, ধর্ষণের মতো ঘটনাগুলোর কারণে রাস্তাঘাটে বের হতে ভয় পায় মানুষ। এক দিনেই হয়তো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর অনেক বেশি উন্নতি হয়ে যাবে না, কিন্তু অন্তত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিক।’

বর্তমান কর্মকাণ্ড

সাম্প্রতিক সময়ে ইরফান সাজ্জাদ অভিনীত ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। সঙ্গে আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নাটকের শুটিং নিয়ে তিনি ব্যস্ত সময় পার করছেন। তার এই ব্যস্ততা সত্ত্বেও নির্বাচন নিয়ে তার মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইরফান সাজ্জাদের মতো শিল্পীদের মতামত সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও সরকারের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পারে। তার অভিজ্ঞতা নির্বাচনী ব্যবস্থার উন্নতি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করে।