সুনেরাহ বিনতে কামালের সতর্কবার্তা: সামাজিক মাধ্যমে যাচাইবিহীন লেখালেখি বন্ধ করুন
সুনেরাহ বিনতে কামালের সতর্কবার্তা: যাচাইবিহীন লেখা বন্ধ করুন

সুনেরাহ বিনতে কামালের সতর্কবার্তা: সামাজিক মাধ্যমে যাচাইবিহীন লেখালেখি বন্ধ করুন

অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল সামাজিক মাধ্যমে যাচাই-বাছাইহীন লেখালেখি ও তার নেতিবাচক প্রবণতা নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব বিষয়ে সরব হয়েছেন এবং অনুসারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

অনলাইন লেখকদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি অনলাইন লেখকদের একটি অংশের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শুরুতে সংক্ষেপে প্রসঙ্গটি তুলে ধরে তিনি লিখেছেন, "সোশ্যাল মিডিয়াতে কিছু লেখক আছেন, ভালো কথা। কিন্তু এদের মধ্যে অনেকেই না জেনে, না বুঝে, যাচাই না করে যা ইচ্ছে লিখে ফেলে, বেশিরভাগই নেগেটিভ।"

পেশাদার সাংবাদিকদের প্রতি সম্মান

এরপর পেশাদার সাংবাদিকদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তাদের প্রতি সম্মান জানান এই অভিনেত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমাদের জার্নালিস্ট ভাই-বোনেরা কষ্ট করে এই পজিশন অর্জন করেছেন, এটা তাদের কাজ। এবং তারা তাদের কাজ ঠিকমতো যাচাই করে সংবাদ প্রচার করেন। আমাদের কাজ প্রচার করেন।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত লেখার প্রবণতা

পোস্টের পরবর্তী অংশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লেখা বা মতামতের আড়ালে অপপ্রচার চালানোর প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। খানিকটা ব্যাখ্যা দিয়ে লেখেন, "'আমার এটা মনে হলো, ওটা মনে হলো' বলে কাউকে নিয়ে যা ইচ্ছে লেখাটা অযৌক্তিক, খুব সুবিধার না। এদের উদ্দেশ্যটা কী? হয়তো 'এটেনশন', 'এন্টারটেইনমেন্ট' অথবা 'মনিটাইজেশন'।"

ভিত্তিহীন বিষয়ে সময় নষ্ট না করার আহ্বান

অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, "দয়া করে ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে নিজের সময় নষ্ট করবেন না।" তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে এই বার্তা দিয়ে বলেছেন যে, সত্যতা যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার করা বা গ্রহণ করা উচিত নয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সুনেরাহ বিনতে কামালের এই পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। অনেক ব্যবহারকারী তার এই অবস্থানের সাথে একমত পোষণ করেছেন এবং অনলাইন লেখালেখির মান উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। অভিনেত্রীর এই স্পষ্ট বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহারের দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।