অভিনেত্রী ঝিলিকের মৃত্যু মামলায় স্বামী কারাগারে
ঝিলিক মৃত্যু মামলায় স্বামী কারাগারে

রাজধানীর একটি হাসপাতালে বারান্দা থেকে পড়ে অভিনেত্রী আসমা আক্তার ঝিলিকের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তাঁর স্বামী সাফিউল্লাহ ওরফে মহব্বতকে (৪৫) রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আদালতের নির্দেশ

আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবুল বাশার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আসামির পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী আবদুল মান্নান আসামিকে আদালতে হাজির করেন। তাঁর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য

আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাফিউল্লাহ মামলার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা তদন্তে সহায়ক হবে। তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই ও অনুসন্ধান চলছে। এ অবস্থায় তাঁকে জামিন দেওয়া হলে তদন্ত কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার বিবরণ

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১০ জুন ভোরে পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে সাফিউল্লাহকে রাজধানীর গুলিস্তানের সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানে শয্যা খালি না থাকায় বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে তাঁর দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন স্ত্রী আসমা আক্তার। ১২ জুন শুক্রবার সকালে সাফিউল্লাহর স্বজনেরা হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসা শেষে সকাল ১০টার দিকে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এ সময় আসমা আক্তার তাঁর বড় ভাই মোজাম্মেল হককে হাসপাতালের বিল পরিশোধের জন্য টাকা পাঠাতে বলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বেলা সোয়া ১টার দিকে আসমার সঙ্গে তাঁর ছোট বোনের ভিডিও কলে কথা হয়। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর সাফিউল্লাহ আসমার বাবাকে ফোন করে জানান, আসমা হাসপাতালের কেবিনসংলগ্ন খোলা বারান্দার জানালা দিয়ে পড়ে গেছেন। পরে তাঁর মৃত্যুর খবর জানা যায়।

মামলা ও গ্রেপ্তার

এ ঘটনায় আসমার বড় ভাই মোজাম্মেল হক শনিবার ধানমন্ডি মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। একই দিন সাফিউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেন আদালত।