সতেরো বছর আগে বৃষ্টির দিনে শোভনের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল বর্ণনাকারীর। আজও বৃষ্টি হচ্ছে, এবং তিনি শোভনের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন।
প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি
সেদিন অবিরাম বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফিরছিলেন বর্ণনাকারী। পথে শোভন নিজের ছাতা এগিয়ে দিয়েছিলেন। প্রথমে না নিলেও পরে শোভনের ছাতার নিচে একসঙ্গে হেঁটেছিলেন তারা। তালগাছের মতো গোল ছাতার নিচে তাদের হৃদ্যতা বাড়তে থাকে। বর্ণনাকারী বলেন, 'আঙুলে আঙুল, প্রথম ওর স্পর্শ পাই ওই ছাতার নিচে।'
পুরনো প্রেমের পুনর্জাগরণ
ইউনিভার্সিটিতে কয়েকবার চোখাচোখি হলেও সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। পরে বাস্তবতার দেয়ালে আটকে সম্পর্ক ভেঙে যায়। বর্ণনাকারী বলেন, 'আমাদের মাঝখানে আপত্তির দেয়ালটি প্রায় আকাশচুম্বী। অবশেষে, সেই দেয়ালটি আমরা টপকাতে পারিনি।'
পুনর্মিলনের দিন
সতেরো বছর পর শোভনের সঙ্গে দেখা করতে যান বর্ণনাকারী। শোভনের বাসায় গিয়ে দেখেন তিনি এখন দুটি গার্মেন্টসের মালিক। বর্ণনাকারী বলেন, 'ওকে দেখে বিশ্বাস হয় না এত বছর পর আমাদের দেখা হয়েছে। ও আমার প্রথম দেখার মতোই আছে।'
আবেগঘন মুহূর্ত
দুপুরে একসঙ্গে খিচুড়ি রান্না করেন তারা। শোভন গজল শোনান এবং অনুবাদ করে বোঝান। সন্ধ্যা হলে বর্ণনাকারী ফিরে যান। তিনি বলেন, 'শোভন আমাকে উবারে তুলে বিদায় জানাতেই মনে হলো স্বর্গ থেকে ছিটকে পড়েছি।'
বর্ণনাকারী মনে করেন, দ্বিতীয় সুযোগ পেয়ে শোভনকে আর হারাতে দেবেন না। তিনি বলেন, 'মুখ ফুটে না বললেও মনে মনে খুব করে চাইছি শোভন আরও কাছে আসুক, ঘন হোক।'



