প্রেম, বিরহ ও বাস্তবতার কবিতা: একাকীত্বের গল্প
প্রেম, বিরহ ও বাস্তবতার কবিতা: একাকীত্বের গল্প

কবিতাটি প্রেম, বিরহ ও বাস্তবতার মিশ্রণে রচিত। শুরুতে প্রেমিকা রিমঝিম ও সীমার কথা বলা হয়েছে, যারা কাঁটাতারের বেড়ায় আটকে আছে। কবি তাদের স্মৃতি ভুলতে পারেন না। এরপর আসে একাকীত্বের বেদনা—সবাই চলে গেছে, ভালোবাসা না পাওয়ার যন্ত্রণা।

প্রেম ও বিচ্ছেদের চিত্র

কবি বলেন, তিনি ভালোবাসতেন কিন্তু ভালোবাসা পাননি। আনজুমের সাথে কথা হয়েছিল, আশার আলো দেখা গেলেও তা নিভে যায়। মোত্তাহেরাকে ভালো লেগেছিল, কিন্তু সেও চলে যায়। নারগিসের জন্য একা একা ভেবেছেন, কিন্তু কিছু বলতে পারেননি। যারা ভালোবেসেছিল, তারাও আজ নেই।

রশি টানাটানির উপমা

ভালো থাকার জন্য রশি টানাটানি চলছে, কে জিতবে বলা যায় না। দুজনেই ছাড়ছে না, রশি পড়েছে বিপাকে। কবি রশিকে বিশ্বাস রাখতে বলেন, আসল লোক হাত ছেড়ে দেবে না। শেষে আহ্বান—চলে এসো, আমরা দুজনেই গাছ থেকে বাঁধা ডাব পাড়ি।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সমুদ্রে ভাসা মানুষের করুণ অবস্থা

কবি মনে করেন তিনি রবীন্দ্রনাথ দাস, যার পানি নেই, খাবার নেই, জ্বালানির ড্রাম ও বাঁশ ধরে সমুদ্রে ভাসছেন। এমভি জাওয়াদ কোথায়? ঝড়ে ট্রলার ডুবে গেছে বঙ্গোপসাগরে, হলদিয়ার কাছে। পাঁচ দিন ধরে পেটে কিছু পড়েনি, কিন্তু হাঙর পেট ভরাতে চায়। লাইফ জ্যাকেট ছুড়ে দাও, সমুদ্র নিচে টানছে। বৃষ্টির জল খেয়ে বেঁচে আছেন, কিন্তু কত দিন?

একাকীত্ব ও অবহেলা

কারও মাথাব্যথা নেই, সবাই কানে তুলো দিয়ে আছে। কেউ কেউ আশ্বস্ত করে যে ভোর হলে পাখি ডেকে তুলবে, কিন্তু কার হাত ধরে বসে থাকবেন? যার হাত ধরে থাকার কথা, সে নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। কবি প্রশ্ন করেন—এখন কী করবেন, কই যাবেন? কেউ কি কারও মনে আছে? নাকি যে যার মতো, কারও জন্য কারও মাথায় ব্যথা নেই?

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আত্ম-অবমূল্যায়ন ও শোষণ

কবি নিজেকে 'সস্তা' বলে অভিহিত করেন। যে কেউ ডাকলেই ছুটে যান, যোগ্যতা বিচার না করে। সরল মনে মিশে গিয়ে দেখেন যে তারা তাকে অধিনস্ত করে রাখতে চায়। তিনি বিনা পারিশ্রমিকের কলগার্ল হয়ে ওঠেন, আর তারা তাকে রাতে-বিরাতে ইচ্ছামতো লাগায়, ব্লাডার ফেটে যায়। সস্তা না হলে কে পারে তার সাথে?

প্রতিকূল পরিবেশে দাঁড়িয়ে

যাকে ডাকেন, সে বজ্রপাত হয়ে আসে। মাথায় মাথাল দিয়েও আটকানো যাচ্ছে না ঝড়বৃষ্টি। চোখ থেকে নাকি মাথাল থেকে চুইয়ে পড়ছে—বোঝা যাচ্ছে না। এক অস্পষ্ট দিগন্তের মাঝে দাঁড়িয়ে আছেন। প্রতিকূল পরিবেশে দেখা হচ্ছে শুধু পিছলে পড়া জীবের সাথে। ভালোভাবে হাঁটতে পারে এমন কারও সাথে দেখা হচ্ছে না। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের খবর বিশ্বাস করে আর বাইরে বের হবেন না।