ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনার মধ্যে শেষ আটে পৌঁছেছে সুইজারল্যান্ড, যারা মুখোমুখি হবে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। তবে মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক জয় ফুটবলপ্রেমীদের ভাসিয়েছে অবিশ্বাস্য আনন্দে। এই ঐতিহাসিক জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছেন বাংলাদেশের বিনোদন জগতের তারকারাও। সামাজিক মাধ্যমে নিজেদের উচ্ছ্বাস ও ভালো লাগার কথা প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, অভিনেত্রী পূর্ণিমা, মিলা, তৌসিফ, কেয়া পায়েলের মতো তারকারা।
চঞ্চল চৌধুরীর রোমাঞ্চ
উত্তেজনাপূর্ণ এই ম্যাচ দেখে রোমাঞ্চিত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী বলেছেন, ‘খুব ভয় পাইছিরে, তবে মিশর দুর্দান্ত খেলেছে।’ তার এই মন্তব্যে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে মিশরের প্রতি সম্মানও ফুটে উঠেছে।
পূর্ণিমার আবেগঘন পোস্ট
অন্যদিকে, সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে পূর্ণিমা লিখেছেন— ‘আর্জেন্টিনার জন্য কী দুর্দান্ত একটি রাত! যখন সারা বিশ্ব ভেবেছিল সব শেষ, মেসি এবং তার যোদ্ধারা দেখিয়ে দিলেন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন কেমন হয়। সাহস, আবেগ আর বিশ্বাস এক নান্দনিক উপায়ে পুরো খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিল। আলহামদুলিল্লাহ।’ তার এই পোস্টে মেসির নেতৃত্ব ও দলের অদম্য মনোভাবের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
তৌসিফ ও কেয়া পায়েলের প্রতিক্রিয়া
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব মেসির অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন দেখে মুগ্ধ। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন— ‘পৃথিবীর সেরাদের কাছ থেকে সেরা কামব্যাক।’ অন্যদিকে, অভিনেত্রী কেয়া পায়েল খেলা চলাকালীন নিজের স্নায়ুচাপের কথা জানিয়ে লিখেছেন— ‘আমার হার্টবিট ফার্স্ট হয়ে গেছে।’
মিলার মাঠের উপস্থিতি ও তাসরিফ খানের আস্থা
মাঠে বসে খেলা দেখার দারুণ এক মুহূর্ত শেয়ার করে নিয়েছেন গায়িকা মিলা। তিনি মনে করছেন, মাঠে তার উপস্থিতিই যেন ভাগ্য ফিরিয়ে এনেছে আর্জেন্টিনার। তিনি লিখেছেন— ‘এই যে দেখো আমি খেলা দেখতে গেলাম, আর যখনি আর্জেন্টিনাকে ডাকলাম, ওমনি জিতে গেল আর্জেন্টিনা।’ লিওনেল মেসির প্রতি আস্থা প্রকাশ করে সংগীতশিল্পী তাসরিফ খান লিখেছেন— ‘জাদুকর যখন আছে মাঠে, ভয়ের কী আছে তবে? এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা।’
বেলাল খানের রসিকতা
তবে ব্যতিক্রমী এক মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেলাল খান। ম্যাচের জয়-পরাজয় ও মাঠের আমেজ নিয়ে রসিকতা করে তিনি লিখেছেন— ‘রূপকথাকেও হার মানালো আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত কোনো দুর্নীতি ছিল না, রেফারিও ভালোই ছিল। কিন্তু যখন থেকে আর্জেন্টিনা গোল দিয়েছে, তখন থেকে দুর্নীতি শুরু হয়েছে। হা হা হা...।’



