পাঁচ বছর পর নতুন সিনেমা নির্মাণে দেবাশীষ বিশ্বাস
পাঁচ বছর পর নতুন সিনেমায় দেবাশীষ বিশ্বাস

২০০১ সালে ‘শশুড়বাড়ি জিন্দাবাদ’ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন খ্যাতিমান নির্মাতা দিলীপ বিশ্বাসের সন্তান দেবাশীষ বিশ্বাস। সর্বশেষ ওই চলচ্চিত্রটিরই সিক্যুয়েল নির্মাণ করেন ২০২০-এ এসে। পাঁচ বছর পর নতুন চলচ্চিত্র নির্মাণে হাত দিয়েছেন তিনি। আব্দুল্লাহ জহির বাবুর গল্প ও চিত্রনাট্যে রোমান্টিক ঘরানার এই চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা মিস্টি জান্নাত ও আব্দুন নূর সজল। চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানালেন নির্মাতা বাংলা ট্রিবিউনকে।

নতুন চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন, কেন এটি আপনার অন্যান্য নির্মাণগুলোর চেয়ে আলাদা?

আমি সাধারণ রোমান্টিক কমেডি ফিল্ম করি। এ ছবিটা পুরোপুরি রোমান্টিক ফিল্ম হবে। এই সিনেমার বিশেষত্ব হচ্ছে এটি একটি জার্নির গল্প। নায়ক-নায়িকার দেখা হয় ভিন্ন ভিন্ন কারণে। সেখান থেকে একটি জার্নি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেম হয়, বিরহ আসে, নানা ধরনের টুইস্ট থাকে গল্পে। দর্শক পুরো সময়টা হলে বসে উপভোগ করার মতো গল্পে নির্মিত হচ্ছে ‘দু’জনে’।

গল্পে কী ধরনের বৈচিত্র্য দেখতে পাবে দর্শক?

গল্পে অবশ্যই বিশেষত্ব আছে। আমরা সাধারণত স্ট্রেইট লাইন গল্প বলি, টুইস্ট অ্যান্ড টার্নিংটা কম থাকে। এ গল্পে এমন একটি টুইস্ট থাকবে, যেটা সবাইকে বিস্মিত করবে। এটাই গল্পের একটি হাইলাইট। এ গল্পের আরও একটি বিশেষত্ব হচ্ছে এটি একটি সুন্দর, সরল এবং স্বচ্ছ ভালোবাসার গল্প। এই ভালোবাসার গল্পে যত ধরনের টানাপোড়েন থাকে, ভালো-মন্দ সব দিকই থাকবে, বিরহ থাকবে, হঠকারিতা থাকবে—সেসব দিকই পর্দায় ফুটে উঠবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নির্মাণে কী বিশেষত্ব থাকছে?

নির্মাণে তেমন আহামরি কোনো বিশেষত্ব নেই। নিজেকে খুব সাধারণ একজন নির্মাতা মনে করি। যতটুকু এ পর্যন্ত শিখেছি, ততটুকুই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করব। নির্মাণে আহামরি কোনো বিশেষত্ব নয়, সাধারণ নির্মাতার সাধারণ নির্মাণই হবে। একটা সিম্পল এবং সুইট লাভ স্টোরি দেখবে দর্শক।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শুটিংয়ে কবে যাচ্ছেন?

আমরা আপাতত একটি গান রেকর্ডিং করেছি। গানটিতে ইমরান ও কোনাল কণ্ঠ দিয়েছেন। আমরা চেষ্টা করছি খুব দ্রুত গানটি রেকর্ড সম্পন্ন করতে, যাতে ঈদে একটি ঝলক দেখাতে পারি। বাকি শুটিং ঈদের পর শুরু করতে চাই।

মুক্তির পরিকল্পনা?

মুক্তির পরিকল্পনা ২০২৭ সালে। এ বছরটা পুরোপুরি লাগবে ছবিটি নির্মাণ করতে। যেহেতু এটি একটি রোমান্টিক ফিল্ম, আমার ইচ্ছা আছে ঈদ ছাড়া পহেলা ফাল্গুন অথবা ভালোবাসা দিবসে চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেওয়ার।

সজল ও মিস্টির বড়পর্দায় কেমিস্ট্রি কেমন আশা করছেন?

আমি যতদূর জানি, নতুন যে কোনো জুটির একটা ফ্রেশনেস থাকে, নতুনত্ব থাকে, ভালোবাসার জায়গা তৈরি হওয়ার সুযোগ থাকে। সে জায়গা থেকে একটি ফটোশুটও করেছি। দুজনকে মানিয়েছেও ভালো। আশা করি পর্দায় কেমিস্ট্রিটা ভালো জমবে।