দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছরের অপেক্ষা, করোনার ধাক্কা, শুটিং স্থগিত হওয়া, সামরিক স্থাপনায় চিত্রায়ণের অনুমতি পেতে জটিলতা—সব বাধা পেরিয়ে অবশেষে ঈদে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে জনপ্রিয় গুপ্তচর চরিত্র ‘মাসুদ রানা’কে নিয়ে সিনেমা ‘মাসুদ রানা’। ঈদুল আজহায় মুক্তির আগে ছবিটি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন প্রযোজক আবদুল আজিজ। বলেছিলেন, ‘এবারের ঈদের সেরা সিনেমা হচ্ছে “মাসুদ রানা”।’ মুক্তির পর ছবির শিল্পীদের নিয়ে হলে হলে যাচ্ছেন আবদুল আজিজ। গতকাল রোববারও প্রচারে গিয়ে সিনেমাটি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।
‘মাসুদ রানা’ চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু হয় কয়েক বছর আগে। ২০২১ সালে মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও কোভিড, লকডাউন ছাড়াও বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক জটিলতায় কাজ বারবার পিছিয়ে যায়। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার যৌথ প্রযোজনায় ‘মাসুদ রানা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাসেল রানা। তাঁর বিপরীতে ‘সোহানা’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন পূজা চেরী।
গতকাল হলে এসে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে নায়ক রাসেল রানা সম্পর্কে আবদুল আজিজ বলেন, ‘সে যদি ভুল না করে, হয়তো–বা শাকিব খানের পরেই রাসেল রানার নাম আসবে। যদি খেয়াল করে এগোতে পারে। কারণ, শতভাগ পজিটিভ রিভিউ আজ পর্যন্ত কোনো সিনেমাতে আমি পাইনি। আজকে আমি দেখলাম হাউসফুল ছিল এবং শতভাগ দর্শকেরই ভালো লেগেছে। তাঁরা উপভোগ করেছেন। ক্লাইম্যাক্সে এসে তো পিনপতন নীরবতা ছিল, কেউ মোবাইলও হাতে নিচ্ছে না; যেন শ্বাস নিতেই ভুলে গেছে।’
‘মাসুদ রানা’ বাংলাদেশের জেমস বন্ড, বললেন পরিচালক। ২৫ মে ২০২৬ মুক্তির আগে সংবাদ সম্মেলনে ‘মাসুদ রানা’কে বাংলাদেশের জেমস বন্ড বলে অবিহিত করেছিলেন পরিচালক সৈকত নাসির। সেই ভাবনা থেকেই প্রযুক্তিগত মান ও উপস্থাপনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের দর্শক যখন বড় পর্দায় আন্তর্জাতিক মানের স্পাই চরিত্র দেখতে চাইবেন, তখন প্রযুক্তিগতভাবে আমাদেরও প্রস্তুত থাকতে হবে। সেই চেষ্টা আমরা করেছি।’



