বালিতে বিকিনি চুরির ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার মডেল জেমা ডয়েলের ক্ষমা প্রার্থনা
বিকিনি চুরি করে ক্ষমা চাইলেন অস্ট্রেলিয়ার মডেল

বালিতে বিকিনি চুরির ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার মডেল জেমা ডয়েলের ক্ষমা প্রার্থনা

ইন্দোনেশিয়ার বালিতে পোশাকের দোকান থেকে বিকিনি চুরির ঘটনায় কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এক মডেল। ওনলিফ্যানস মডেল জেমা ডয়েল অবশেষে এই ঘটনায় হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়েছেন। খবর দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৬ বছর বয়সী জেমা ডয়েল বালির একটি দোকান থেকে বিকিনি চুরি করলে সেই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ মুহূর্তেই ভাইরাল হয়। এরপর তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেন।

ভিডিও বার্তায় জেমা স্বীকার করেন যে সুইমস্যুট চুরি করা ছিল তার বোকামি। তিনি বলেন, "আমি জানি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে এবং এটা সত্যি। আমি একটু বোকামি করে সুইমস্যুট চুরি করেছি।"

জেমার ব্যাখ্যা ও ক্ষমা প্রার্থনা

জেমা দাবি করেন যে জীবনে আগে কখনো চুরি করেননি। প্রায় ৩০ অস্ট্রেলীয় ডলার মূল্যের বিকিনিটি "মজার ছলেই" নিয়েছিলেন বলে জানান এই মডেল।

পরবর্তী সময়ে আরেক ভিডিও বার্তায় অস্ট্রেলিয়ার ওই মডেল আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চান। জেমা বলেন, "যা নিয়েছি আমি তার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। দোকানের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।"

তিনি দাবি করেন, দোকান মালিকের সঙ্গে দেখা করে পণ্য ফেরত দেওয়া এবং দ্বিগুণ মূল্য পরিশোধের প্রস্তাব দিয়েছেন।

হুমকি ও ক্ষতিপূরণ

চুরির ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন জেমা। তবে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, উভয় পক্ষের সমঝোতা হওয়ার পর মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে।

জেমা বিকিনির ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রায় ৮৩৫ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সামাজিক প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ জেমার ক্ষমা প্রার্থনাকে স্বাগত জানালেও, অন্যরা তার কর্মকাণ্ডের নিন্দা করেছেন।

  • বিকিনি চুরির সিসিটিভি ফুটেজ দ্রুত ভাইরাল হয়।
  • জেমা ডয়েল ভিডিও বার্তায় দুঃখ প্রকাশ করেন।
  • দোকান মালিকের সঙ্গে সমঝোতা হয় এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়।
  • পুলিশ মামলা তুলে নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে।

এই ঘটনা সেলিব্রিটিদের দায়িত্বশীল আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। জেমা ডয়েলের ক্ষমা প্রার্থনা সত্ত্বেও, তার এই কাজের জন্য সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।