বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট তার প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল ও চকচকে ত্বকের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। মেকআপের চেয়ে ত্বক পরিচর্যায় বেশি গুরুত্ব দেন তিনি। সম্প্রতি এক ভিডিওতে আলিয়া ভাট নিজেই জানিয়েছেন, ত্বক পরিচর্যার পাঁচটি অপরিহার্য প্রসাধনী তিনি সবসময় তার ভ্যানিটি ব্যাগে রাখেন এবং বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে ব্যবহার করেন।
জেড রোলার বা মাসাজার
আলিয়া ভাটের ত্বক পরিচর্যার প্রথম ধাপ হলো জেড রোলার বা মাসাজার। তিনি চোয়াল ও হনুর উঁচু হাড় বরাবর এটি ব্যবহার করেন। জেড রোলার রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং মুখের ক্লান্তি ও ফোলাভাব দূর করতে দারুণ কাজ করে। এটি ত্বককে শান্ত রাখতেও সাহায্য করে।
আই ক্রিম
কাজের ব্যস্ততার কারণে মাঝেমধ্যেই অভিনেত্রীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে। তবে আলিয়া ভাটের চোখের নিচে কালো দাগ বা বলিরেখা দেখা যায় না। এর কারণ তিনি নিয়মিত আই ক্রিম ব্যবহার করেন। আই ক্রিম ডার্ক সার্কেল ও বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে।
নিয়াসিনামাইড ড্রপস
বলিরেখা এড়াতে এবং ত্বকে জেল্লা আনার জন্য আলিয়া ভাট নিয়াসিনামাইডকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ভিডিওতে অভিনেত্রীকে ওয়াটারমেলন গ্লো নিয়াসিনামাইড ড্রপস প্রয়োগ করতে দেখা গেছে। এটি ত্বককে পুনরুজ্জীবিত ও আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।
ময়েশ্চারাইজার
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে ভোলেন না আলিয়া ভাট। দীর্ঘ সময় ধরে শুটিংয়ে থাকলেও ত্বককে আর্দ্র ও সতেজ রাখতে তিনি বেশ কয়েকবার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন। শুধু মুখেই নয়, ঘাড়, গলা ও হাতেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করেন তিনি।
সানস্ক্রিন
এ প্রসাধনীটি ছাড়া আলিয়া বাড়ি থেকে বের হন না। শুধু বাইরে বেরোলেই নয়, শুটিং ফ্লোরে থাকাকালীনও বারবার তিনি সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন। সানস্ক্রিন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
অভিনেত্রী হয়েও আলিয়া ভাট চড়া মেকআপ করতে একেবারেই পছন্দ করেন না। সিনেমার প্রচার হোক কিংবা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান—সবখানে আলিয়াকে অল্প মেকআপেই দেখা যায়। তিনি অতিরিক্ত মেকআপ করার বদলে ত্বক পরিচর্যার ওপর গুরুত্ব দিয়ে এসেছেন বারবার। সামাজিক মাধ্যমে মাঝেমধ্যেই তিনি ত্বক ভালো রাখার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেন এবং ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করেন।



