ঈদুল আজহার ছুটিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রমণপিপাসু মানুষের মুখরতায় মধ্যরাত পর্যন্ত উৎসবের আমেজ ছিল এসব বিনোদন কেন্দ্রে। নগরীর বিনোদন কেন্দ্রে কোথাও যেন তিলধারণের ঠাঁই নেই।
রাস্তাঘাট ফাঁকা, স্টেশনে ভিড়
এদিকে ঈদের ছুটির পরে এখনও ফাঁকা চট্টগ্রাম মহানগরী। রোববার নগরীর প্রায় সব রাস্তাঘাটই ছিল ফাঁকা। ছিল না গণপরিবহণের ভিড়। সামান্য কিছু প্রাইভেট কার ও অটোরিকশা, রিকশা ছাড়া তেমন কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। তবে রেল ও বাস স্টেশনে কর্মস্থলে ফিরতি লোকজনের ভিড় ছিল।
বিনোদন কেন্দ্রের তালিকা
ঈদের দিন থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে নগরবাসী ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় জমায়। নগরীর পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত, ফয়’স লেক, সি-ওয়ার্ল্ড, চিড়িয়াখানা, আগ্রাবাদ শিশুপার্ক, সিআরবি মোড়, বাটালি হিল, ডিসি হিল, বিপ্লব উদ্যান, দৃষ্টিনন্দন কর্ণফুলী সেতু, নেভাল একাডেমি, ওয়ার সিমেট্রি, স্বাধীনতা পার্ক, নৃ-জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর ও রেলওয়ে জাদুঘর অন্যতম।
পতেঙ্গায় অবস্থিত দেশের একমাত্র প্রজাপতি পার্কও ছিল দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। শহরের বাইরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে- আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকত, কাপ্তাই লেক, সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ পাহাড়, সীতাকুণ্ডের ইকোপার্ক, মিরসরাইয়ের মহামায়া, বাঁশখালী ইকোপার্ক ও রাউজানের মডার্নপার্ক। এছাড়া ছোট বড় অসংখ্য পাহাড়ের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য তো রয়েছেই।
সব বয়সি মানুষের মিলনমেলা
ঈদের পর দিন বিকাল থেকেই শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সি মানুষের মিলনমেলায় পরিণত হয় নগরীর সব বিনোদন কেন্দ্র। রোববার দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়ে বিনোদনকেন্দ্রগুলো মুখরিত ছিল। অনেকেই অতিরিক্ত ছুটি নিয়ে উপভোগ করছেন ঈদ আনন্দ। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে সকাল থেকে সব বয়সি নারী-পুরুষের মিলনমেলা ঘটেছে। হাজার হাজার দর্শনার্থীর পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত।



