সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিনকে গ্রেফতার দেখানোর আদালতের নির্দেশ
রাজধানীর ভাটারা থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের মেয়ে খাদিজা ইয়াসমিন (বিথী)কে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এই আদেশ জারি করেন।
গ্রেফতার দেখানোর আবেদনের পটভূমি
গ্রেফতার দেখানোর আবেদন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ভাটারার নতুন বাজারে আন্দোলনে অংশ নেন মো. সজিব খান। আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। অভিযোগে বলা হয়, ওই হামলার ঘটনায় খাদিজা ইয়াসমিন অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে গুলিবর্ষণ, ককটেল ও পেট্রোলবোমা নিক্ষেপসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
এই ঘটনায় বাদীসহ বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ ও দগ্ধ হয়ে আহত হন। তদন্তে খাদিজা ইয়াসমিনের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। আদালত এই প্রমাণের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন, যা মামলার তদন্তকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
খাদিজা ইয়াসমিনের পূর্ববর্তী গ্রেফতার
এর আগে, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর খাদিজা ইয়াসমিনকে কুমিল্লা থেকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। পরে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই সময় তাকে যুবদল নেতা আরিফ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল, যা তার বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়ার একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বর্তমান মামলায় তার গ্রেফতার দেখানোর আদেশটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত কার্যক্রমকে জোরদার করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন। এই ঘটনা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরছে, যা সামগ্রিকভাবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।



