৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর জেরে গ্রেপ্তার ইমির মুক্তির দাবিতে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি
ইমির মুক্তির দাবিতে শাহবাগে অবস্থান, ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো কেন অপরাধ?

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার ইমির মুক্তির দাবিতে শাহবাগে অবস্থান

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর জেরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির মুক্তির দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই কর্মসূচি পালন করেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক মিশু আলী সুহাশ।

মিশু আলী সুহাশের বক্তব্য ও দাবি

কর্মসূচিতে মিশু আলী সুহাশ বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর জেরে শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো তো কোনো অপরাধ নয়। এই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন কীভাবে কার্যকর হয়? এ সময় তিনি ইমির বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার ও তাঁর দ্রুত মুক্তির দাবি জানান।

সুহাশ আরও বলেন, ইমির বিরুদ্ধে যদি কোনো সন্দেহ থাকে বা আওয়ামী লীগ (বর্তমানে নিষিদ্ধ) তাঁকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে বলে মনে হয়, তবে তাঁকে জবাবদিহির আওতায় আনা হোক। গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক। ইমির ওপর অন্যায় ও জুলুম করা হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, এই নিপীড়নের প্রতিবাদেই তিনি অবস্থান নিয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংগঠনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান

তবে এই কর্মসূচি সংগঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মিশু আলী সুহাশ ছাত্রশক্তির পদে থাকলেও এই অবস্থান কর্মসূচি আমাদের সংগঠনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রোগ্রাম নয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঘটনাটি রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে, যেখানে ৭ মার্চের ভাষণের মতো ঐতিহাসিক বিষয়কে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এই গ্রেপ্তার ও অবস্থান কর্মসূচি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি প্রতিফলন, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিয়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে।