কক্সবাজারে সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার: নিখোঁজের তিন দিন পর দুর্গম পাহাড়ে মিলল মরদেহ
কক্সবাজারে সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, নিখোঁজের তিন দিন পর

কক্সবাজারে সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার: নিখোঁজের তিন দিন পর দুর্গম পাহাড়ে মিলল মরদেহ

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নে এক সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নয়ন দাশ (৩৫) নামের এই সন্ন্যাসী নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে স্থানীয়রা দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে তার মরদেহ খুঁজে পায়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ঘটনার বিবরণ

নয়ন দাশ পূর্ব হামজার ডেইল এলাকার পুলিশশার ঘোনা নাগপঞ্চমী মন্দিরের সেবায়েত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার দোহাজারী এলাকার ফুলতলা গ্রামের গোপাল দাশের ছেলে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল রাত প্রায় ৯টার দিকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি তাকে বসতঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর ২০ এপ্রিল রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ করা হয়। পরে ২২ এপ্রিল দুপুরে স্থানীয়দের একটি দল মন্দিরের পূর্ব পাশের পাহাড়ি এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে একটি গাছের সঙ্গে গলায় চাদর প্যাঁচানো অবস্থায় নয়ন দাশের মরদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য ও তদন্ত

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ ছমিউদ্দিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, "এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।" পুলিশ এখন ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চালাচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা রহস্যজনক এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, এই ঘটনার পেছনে কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপ থাকতে পারে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, "নয়ন দাশ শান্তিপ্রিয় ব্যক্তি ছিলেন, তার এমন মৃত্যু আমাদের জন্য অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন চাই।"

এই ঘটনা কক্সবাজার এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের উপর চাপ তৈরি হয়েছে দ্রুত সমাধান খুঁজে বের করার। সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, এবং তারা আরও জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কামনা করছেন।