টোকিওতে বাংলাদেশি সংস্কৃতির রৌপ্য জয়ন্তী উদযাপনে ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সবুর খান জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত বর্ষবরণ মেলা ও কারি উৎসবের রৌপ্য জয়ন্তী উদযাপনে অংশগ্রহণ করেছেন। ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল, রবিবার ইকেবুকুরো নিশিগুচি পার্কে এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে তিনি উপস্থিত ছিলেন।
আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব
এই আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে জাপান, বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের বিশিষ্ট কূটনীতিক, রাষ্ট্রদূত, প্রবাসী নেতা এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা একত্রিত হন। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উদযাপনের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে এই সমাবেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জাপানস্থ রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্প্রদায়ের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
মো. সবুর খানের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও উদ্ভাবনকে তুলে ধরতে ড্যাফোডিল গ্রুপের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটায়। অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অংশীজনদের সাথে আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষা ও উদ্যোক্তাবাদকে সীমান্ত-পার সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ২৫ বছর পূর্তি
জাপান বাংলাদেশ সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বর্ষবরণ মেলা ও কারি উৎসব জাপানে অনুষ্ঠিত বৃহত্তম বাংলাদেশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত। এর রৌপ্য জয়ন্তী সংস্করণটি সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সম্প্রদায় সম্পৃক্ততার ২৫ বছর পূর্তি চিহ্নিত করে। মো. সবুর খান এই উপলক্ষে বলেন, "এ ধরনের বৈশ্বিক মঞ্চগুলো সংযোগ শক্তিশালী করতে এবং বাংলাদেশের সম্ভাবনা প্রদর্শনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ড্যাফোডিল গ্রুপ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে উৎসাহিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
ড্যাফোডিল গ্রুপের এই অংশগ্রহণ তাদের বৈশ্বিক সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করে এবং বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টির প্রত্যাশা জাগায়। এই উদ্যোগটি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।



