কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশুকে গলা কেটে হত্যা, এলাকায় চাঞ্চল্য
কুমিল্লায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশু হত্যা, পুলিশ তদন্তে

কুমিল্লায় নৃশংস হত্যাকাণ্ড: প্রবাসীর স্ত্রী ও দুই শিশু নিহত

কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলায় এক মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দুই শিশু নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ভোর রাতে মনিপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে প্রবাসী জহিরুল ইসলামের বাড়ির দরজা খোলা অবস্থায় দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন সেখানে যান। তারা ভিতরে প্রবেশ করে তিনটি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। নিহতরা হলেন:

  • প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (২৫ বছর)
  • তাদের ছেলে হোসাইন (৪ বছর)
  • পাশের বাড়ির আব্দুস সাত্তারের ছেলে জোবায়ের (৬ বছর)

লাশগুলি গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়, যা দেখে স্থানীয়রা অবিলম্বে পুলিশকে খবর দেন।

পুলিশের তদন্ত ও পদক্ষেপ

হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রাথমিকভাবে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি জানান, "প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুই শিশুর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কি কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত হতে পারিনি। আমরা পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখছি।"

পুলিশ এখন ঘটনার পেছনের কারণ অনুসন্ধান করছে এবং সম্ভাব্য সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এলাকাবাসীর মতে, এই হত্যাকাণ্ডের ফলে গ্রামে ভয় ও উদ্বেগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব

এই নৃশংস ঘটনায় হোমনা উপজেলার মনিপুর গ্রামসহ আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা নিরাপত্তাহীনতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেকের মতে, প্রবাসী পরিবারগুলোর সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাবনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে যে তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে। তবে এখনও পর্যন্ত হত্যার সঠিক কারণ বা动机 প্রকাশ করা হয়নি।