বাংলাদেশের প্রথম স্পেস ট্যুরিজম স্টার্টআপ ‘অরবিটাল ভয়েজ’ চালু
বাংলাদেশের প্রথম স্পেস ট্যুরিজম স্টার্টআপ ‘অরবিটাল ভয়েজ’ চালু

বাংলাদেশের প্রথম স্পেস ট্যুরিজম স্টার্টআপ ‘অরবিটাল ভয়েজ’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৮ সালের মধ্যে প্রথম মহাকাশ পর্যটন ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও লক্ষ্য

অরবিটাল ভয়েজের প্রতিষ্ঠাতা ও首席执行官 (সিইও) সায়েম সোবহান জানান, “আমরা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে মহাকাশে পাঠানোর স্বপ্ন দেখি। আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করা।” প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে প্রাথমিক তহবিল সংগ্রহ করেছে এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেছে।

প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্ব

অরবিটাল ভয়েজ আন্তর্জাতিক মহাকাশ সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করছে, যার মধ্যে রয়েছে সাবঅরবিটাল ফ্লাইট প্রযুক্তি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। তারা একটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট সিস্টেম ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে, যা খরচ কমাতে সাহায্য করবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, টিকিটের মূল্য প্রতিটি যাত্রীর জন্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা হবে, যা আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় সাশ্রয়ী।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রথম ফ্লাইটের প্রস্তুতি

প্রথম ফ্লাইটে মোট ৬ জন যাত্রী বহন করার পরিকল্পনা রয়েছে। যাত্রীদের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। সায়েম সোবহান বলেন, “আমরা চাই যাত্রীরা নিরাপদে এবং আরামে মহাকাশ ভ্রমণ উপভোগ করুক।”

বাংলাদেশের মহাকাশ খাতে প্রভাব

বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বলেন, “এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। আমরা অরবিটাল ভয়েজকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করতে প্রস্তুত।”

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

অরবিটাল ভয়েজ শুধু পর্যটন নয়, ভবিষ্যতে মহাকাশ গবেষণা ও শিক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনারও পরিকল্পনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম চালু করতে চায়।