মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সামরিক ঘাঁটি থেকে আসা হামলার জবাবে পাল্টা হামলা চালানো আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ‘বৈধ আত্মরক্ষা’ বলে জানিয়েছে ইরান। কুয়েতের পক্ষ থেকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ ওঠার পর এই মন্তব্য করেছে তেহরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যেসব দেশ তাদের ভূখণ্ড বা সামরিক সম্পদ অন্য দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণে ব্যবহারের সুযোগ দেয়, আন্তর্জাতিক আইনে তাদের তা না করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ‘রাষ্ট্রগুলোর প্রতিষ্ঠিত আইনগত দায়িত্ব রয়েছে যাতে তাদের ভূখণ্ড বা সম্পদ অন্য দেশের ওপর আক্রমণের জন্য ব্যবহার না হয়।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমালোচনা
ইরানি কর্মকর্তা আরও অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ বিষয়ে ‘একপাক্ষিক নৈতিক ক্ষোভ’ দেখাচ্ছে। বাঘাই অবশ্য নির্দিষ্ট করে বলেননি তিনি ইইউ-এর কোন বিবৃতির কথা বলছেন। বাঘাই বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি বিবৃতি ইরানের বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছে। যেখানে বলা হয়েছিল ইরান নাকি ‘মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার ব্যবহার করছে, যা প্রতিবেশী দেশের ঘাঁটি থেকে চালানো হয়েছে’—এ ধরনের অবস্থান ‘ভণ্ডামি ও বেপরোয়া’।
কুয়েতে হামলার প্রেক্ষাপট
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক বিভাগ কয়েক দিন আগে এক বিবৃতিতে কুয়েতে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছিল এবং বলেছিল—এসব হামলা কুয়েতের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে। ইরানের দাবি, তারা কেবল তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলার উৎস লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে, যা আত্মরক্ষার আওতায় পড়ে।



