যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচিত সমঝোতা চুক্তির দাপ্তরিক খসড়ার নথি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন। রোববার দুই দেশের মধ্যে অনলাইনে (ইলেকট্রনিকালি) সই হওয়া এই ঐতিহাসিক নথির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)’।
সমঝোতার ১৪ দফা
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফা প্রকাশ করা হয়। দফাগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এতে দীর্ঘদিনের শত্রুতা নিরসনের এই উদ্যোগে শর্ত সাপেক্ষে ইরানের জন্য ব্যাপক আর্থিক ও কৌশলগত সুবিধা রাখা হয়েছে।
চুক্তি সই ও বাস্তবায়ন
আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের মধ্যে এই চূড়ান্ত চুক্তিটি সশরীরে সই হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর চূড়ান্ত চুক্তির জন্য দুই পক্ষ ৬০ দিন সময় পাবে।
মার্কিন প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি মূলত এমন একটি চুক্তি, যার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে এবং ইরান তাদের পারমাণবিক ধূলিকণা (নিউক্লিয়ার ডাস্ট) ধ্বংস করতে বাধ্য থাকবে। বিনিময়ে ইরান ভালো আচরণ করলে আমরাও ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুযোগ বাড়িয়ে দেব।’
সমঝোতা স্মারকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে (রণাঙ্গনে) লড়াই বন্ধের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আলোচনা চলাকালে ইরানকে তেল বিক্রির সুযোগ দেওয়ার কথাও রয়েছে।



