ইরানের এক কর্মকর্তা বুধবার জানিয়েছেন, সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার মিছিল দাফনের আগে ইরাক হয়ে ইরানে যাবে। ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন খামেনি।
জানাজার তারিখ ও স্থান
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক ভিডিওতে তেহরানের মেয়র আলিরেজা জাকানি বলেন, খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠান ও জানাজা ৪ থেকে ৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, '২০২৬ সালের ৮ জুলাই ইরাকে এবং ৯ জুলাই, ঈশ্বরের ইচ্ছায়, ইরানের মাশহাদে' দাফন করা হবে।
ইরাকে জানাজার গুরুত্ব
ইরানের মতো প্রতিবেশী দেশ ইরাকেও শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী বাস করে এবং সেখানে শিয়া ইসলামের পবিত্র স্থানগুলোর মধ্যে কারবালায় ইমাম হোসেনের মাজার ও নাজাফে ইমাম আলীর মাজার অবস্থিত। তবে জাকানি ইরাকে খামেনির মরদেহ কোথায় নেওয়া হবে তা নির্দিষ্ট করে বলেননি। ইরাকি কর্তৃপক্ষও এই ঘোষণা নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
তেহরানে বিশাল সমাগমের প্রস্তুতি
জাকানি আরও জানান, তেহরানে জানাজার মিছিলের প্রস্তুতি চলছে, যেখানে প্রায় '২০ মিলিয়ন' মানুষের সমাগম আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, 'রাজধানীতে এখন পর্যন্ত ইতিহাসে এত বড় জনসমাগম কখনও হয়নি।'
১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর সময় ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছিল, তার জানাজায় প্রায় ১০ মিলিয়ন মানুষ অংশ নিয়েছিল।



