বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫ সামরিক স্থাপনায় হামলা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫ সামরিক স্থাপনায় হামলা ইরানের

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের নৌ ও মহাকাশ বাহিনী বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ৮৫টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছে। একই অভিযানে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে সংস্থাটি।

হামলার বিবরণ

বুধবার (৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, বাহরাইনের সালমান বন্দর, যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের সামুদ্রিক এলাকা এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা হামলা

এদিকে ইরানের ৮০টিরও বেশি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে করে দুদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পুরোনো অভ্যাস’ অনুসরণ করেছে। তাদের দাবি, বুধবার ভোরে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজগান ও মাহশাহর উপকূলীয় ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

খামেনির জানাজার প্রসঙ্গ

ইরানের এই বাহিনী আরও দাবি করেছে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় নজিরবিহীন জনসমাগম দেখে যুক্তরাষ্ট্র আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে এবং ঐতিহাসিক এই ঘটনাকে আড়াল করতেই হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানি জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে শত্রুকে পরাজিত করার যে ঐতিহাসিক বিদায় আয়োজন হয়েছে এবং শহীদ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ইরাকের গর্বিত জনগণের লাখো মানুষের অংশগ্রহণ বিশ্বজুড়ে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, তা আগ্রাসী মার্কিন সরকারের জন্য আরও বড় পরাজয় হিসেবে দেখা দিয়েছে।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া

তবে আইআরজিসির এসব দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।